‘মিরাজ দেখিয়েছে এই উইকেটে কীভাবে ব্যাট করতে হয়’

লেখক:
প্রকাশ: ৮ years ago

Manual8 Ad Code

স্পোর্টস ডেস্ক: উইকেট ছিল মন্থর। শিশির পড়ায় বল স্কিড করছিল কিছুটা। ব্যাটিং করা তাই তেমন কঠিন ছিল না। শুরুটাও ভালো হয়েছিল। কিন্তু ব্যাটসম্যানরা সেটি ধরে রাখতে পারেননি। একের পর এক উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন। দলের বড় হারের পর তাই ব্যাটসম্যানদেরই দুষলেন খুলনা টাইটান্সের কোচ মাহেলা জয়াবর্ধনে।

বিপিএলে বুধবার রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪০ রানের উদ্বোধনী জুটির পরও ২০ ওভারে খুলনা ৯ উইকেট হারিয়ে করতে পারে মাত্র ১১৭ রান। রাজশাহী সেটি পেরিয়ে যায় ৭ উইকেট ও ৭ বল হাতে রেখে।

Manual3 Ad Code

এবারের বিপিএলে এই ম্যাচের আগ পর্যন্ত এই দুই দলেরই শুধু কোনো জয় ছিল না। রাজশাহীর সেই অপূর্ণতা ঘুচল খুলনাকে হারিয়ে। খুলনা রয়ে গেল হারের বৃত্তেই। মাহমুদউল্লাহর দল হেরেছে প্রথম তিন ম্যাচেই।

Manual5 Ad Code

প্রথম ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ১৭০ রান তাড়ায় ৯০ রানের উদ্বোধনী জুটির পর খুলনা হেরেছিল ৮ রানে। পরের ম্যাচে ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে ১৯৩ রান তাড়ায় খুলনা গুটিয়ে যায় ৮৭ রানেই। এবার আগে ব্যাট করে ১১৭ রান।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে খুলনার কোচ জয়াবর্ধনে বললেন, প্রথম ম্যাচ জিততে পারলে মোমেন্টামটা অন্যরকম থাকত, ‘প্রথম ম্যাচটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। রংপুরের বিপক্ষে আমরা সত্যিই ভালো ক্রিকেট খেলেছি। আমরা লক্ষ্য প্রায় তাড়া করে ফেলেছিলাম। তারপর আমরা ধীরগতির হয়ে গিয়েছিলাম। ওদের বোলাররা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। ম্যাচটা যদি আমরা জিততে পারতাম তাহলে টুর্নামেন্টে আমরা একটা ভালো সূচনা পেতাম।’

শেষ দুই ম্যাচে ব্যাটিংই দলের ‘সর্বনাশ’ করেছে বলে মনে করেন জয়াবর্ধনে। তার মতে, বুধবার মিরপুরের উইকেটে ব্যাটিং করা কঠিন ছিল না, প্রয়োজন ছিল বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিং। উদাহরণ হিসেবে টানলেন প্রতিপক্ষের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটিং, ‘শেষ দুই ম্যাচে ব্যাটিংই আমাদের ডুবিয়েছে। আজ ব্যাটসম্যানদের বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিং করা দরকার ছিল। মেহেদী দেখিয়েছে এই উইকেটে কীভাবে ব্যাট করতে হয়।’

Manual3 Ad Code

‘আমরা আলোচনা করছিলাম এই উইকেটে ১৪০ রান ভালো স্কোর। এবং কেউই তা করার দায়িত্ব নিতে পারেনি। আমাদের হাতে উইকেট ছিল, আমাদের শক্তিও ছিল, কিন্তু আমরা শেষ পর্যন্ত তা কাজে লাগাতে পারিনি।’

Manual5 Ad Code

এদিন দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ হাফিজের বিদায়ের পর তিন নম্বরে নেমেছিলেন মিরাজ। ৪৫ বলে ৬ চার ও এক ছক্কায় ৫২ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেন তিনি। সেই সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হকের সঙ্গে ৭৮ বলে ৮৯ রানের জুটি গড়েন। দুজনই দেখেশুনে খেলেছেন। তাদের জুটিতে ভর করেই মূলত জিতেছে রাজশাহী।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code