

A picture taken on January 14, 2016 shows a Basilosaurus whale skeleton at the Wadi el-Haitan Fossil and Climate Change Museum in Fayoum, 60 km south of the Egyptian capital Cairo. (Photo by KHALED DESOUKI / AFP)
নিউজ ডেস্কঃ
সম্প্রতি মিশরে চার কোটি বছরের বেশি পুরোনো একটি অজানা উভচর প্রজাতির চতুষ্পদ তিমির জীবাশ্ম পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি স্থলভাগ থেকে তিমির সমুদ্রে অভিযোজন প্রক্রিয়া শনাক্ত করতে সহায়তা করে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানা যায়।
মিশরের নেতৃত্বাধীন গবেষকদের দল এক বিবৃতিতে জানায়, বুধবার (২৬ আগস্ট) নতুন আবিষ্কৃত তিমিটি বিলুপ্ত প্রোটোসেটিডির সম্প্রদায়ের। মিসরের পশ্চিমাঞ্চলের মরুভূমির ফায়ুমের মধ্যবর্তী ইওসিন শিলা থেকে এই তিমির জীবাশ্ম আবিষ্কার করা হয়।
গবেষকরা জানান, নতুন তিমিটির নাম ফিওমিসেটাস অ্যানুবিস। এর দৈর্ঘ্য আনুমানিক ৩ মিটার এবং ওজন প্রায় ৬০০ কেজি। তিমিটি খুব সম্ভবত প্রখর শিকারী ছিল। এটি আফ্রিকার সবচেয়ে আদিম “প্রোটোসেটিড” তিমি।
মনসৌরা ইউনিভার্সিটি ভার্টিব্রেট প্যালিওন্টোলজি সেন্টারের (এমইউভিপি) প্রতিষ্ঠাতা হেশাম সেলাম জানান, নতুন আবিষ্কৃত তিমিটি প্রাচীন বাস্তুতন্ত্র সম্পর্কে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি মিশরের প্রাচীন তিমির উৎপত্তি ও সহাবস্থানের মতো বিষয় নিয়ে গবেষণার প্রয়োজনীয়তার কথা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।
ফিওমিসেটাস অ্যানুবিসের জীবাশ্ম আবিষ্কারকে মিশরীয় এবং আফ্রিকান জীবাশ্মবিদ্যার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার বলেও উল্লেখ করা হয়।
আবিষ্কৃত তিমির বংশের নাম ফায়ুমকে সম্মান করে রাখা হয়েছে। প্রজাতির নাম অনুবিসের মাধ্যমে মমি এবং পরবর্তী জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রাচীন ক্যানিন-নেতৃত্বাধীন মিশরীয় দেবতা বোঝায়।
সাম্প্রতিক সময়ে জীবাশ্ম আবিষ্কার সত্ত্বেও আফ্রিকার প্রথম তিমির বিবর্তনের বড় অংশ এখন রহস্যই রয়ে গেছে বলে জানান গবেষকরা। এই অঞ্চলে কাজ করার মাধ্যমে উভচর থেকে সম্পূর্ণ জলজ তিমিতে বিবর্তনীয় রূপান্তরের বিস্তারিত বিভিন্ন বিষয় আবিষ্কারের সম্ভাবনা ছিল।