যুক্তরাজ্যের নতুন হাইকমিশনারসহ চার রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

লেখক:
প্রকাশ: ৭ years ago

Manual5 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট :: বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের নতুন হাই কমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) বঙ্গভবনে উপস্থিত হয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের পরিচয়পত্র হস্তান্তর করেন তিনি।

তিনি এলিসন ব্লেক এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

Manual8 Ad Code

এদিকে, বাসস জানায়, এদিন আরও তিন জন রাষ্ট্রদূত রাষ্ট্রপতির কাছে নিজেদের পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। তারা হলেন, কঙ্গোর অনিবাসী রাষ্ট্রদূত আন্দ্রে পোহ, বেলজিয়ামের অনিবাসী রাষ্ট্রদূত ফ্রাঙ্কোইস ডেলহায়ে ও গুয়েতমালার অনিবাসী রাষ্ট্রদূত জিওভানি রেনে ক্যাস্টিলো পোলাঙ্কো।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন জানিয়েছেন, রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ বাণিজ্য, শিল্প ও বিনিয়োগ খাতে সম্পর্ক সম্প্রসারণকে প্রাধান্য দেয়।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশে তাদের (হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূতবৃন্দ) দায়িত্ব পালনকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।

বাংলাদেশকে ব্যাপক সম্ভাবনাময় একটি রাষ্ট্র হিসাবে উল্লেখ করে আবদুল হামিদ নিজ নিজ দেশের স্বার্থে বাংলাদেশ ও তাদের সংশ্লিষ্ট দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্পর্ক দৃঢ় করার লক্ষ্যে সম্ভাব্য সব উপায় অবলম্বনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূতরা বাংলাদেশে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠককালে রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজনৈতিক ও পক্ষ সমর্থনের জন্য ব্রিটিশ সরকার ও জনগণের প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লন্ডন সফর ও তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের স্মৃতিচারণ করেন।

Manual2 Ad Code

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ব্রিটেনের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক চমৎকার। বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দিন দিন বাড়ছে।’

Manual6 Ad Code

বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সুবিধা পাওয়ার অনেক সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি সরকারি ও বেসরকারি খাতের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আবদুল হামিদ এদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর জন্য ব্রিটিশ সরকারের উদ্যোগ কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে নতুন উচ্চতায় উন্নীত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

ডিকসন যুক্তরাজ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ, ইরাক পলিসি ইউনিট, ন্যাটো সেকশন, নিউক্লিয়ার সেকশন, যুক্তরাজ্যের কেবিনেট অফিসের জাতীয় নিরাপত্তা সেক্রেটারিয়েট ও কাবুল মিশনে কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি মেসিডোনিয়াতে রাষ্ট্রদূত হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code