

কামরুল হাসান মুন্না :: সারা বছরের সামারের জন্য সকল প্রবাসীরা উন্মুখ থাকেন । এই সময়টায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা মেতে উঠেন পিকনিক পথমেলা পারিবারিক আয়োজনে । যুক্তরাষ্ট্রের সবকটি বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকার পার্ক গুলো ভরে উঠে পিকনিকের আয়োজনে । সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েন নিজ নিজ জেলা ও উপজলা এমনকি ইউনিয়ন নিয়ে করা সংগঠনের বাৎসরিক মিলনমেলা বা পিকনিক আয়োজনে । এসময় পিকনিকের পাশাপাশি পথমেলা বা কালচারাল অনুষ্ঠান হয়ে থাকে । সবাই পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়ান দেশের এ প্রান্ত থেকে অপরপ্রান্ত । নিকটজনের বাসাবাড়িতে গিয়ে একান্তে সময় কাটান ।প্রবাসীরা জানিয়েছেন যে, তারা সারা বছর ব্যস্ত থাকেন। সময় পান না। এমনকি তাদের ছেলে মেয়েরা পড়াশুনায় ব্যস্ত। এজন্য তারা বছরে একটি দিন সময় বের করে নেন যে, যাতে সারাদিন বিনোদনের মধ্যে থাকতে। সেই প্রস্তুতি উপলক্ষে তারা সবার সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রযুক্তির উন্নতির হত্তয়ার কারণে তারা যোগাযোগ করেন সবার সঙ্গে। এরপর সবাই পূর্ব নির্ধারিত স্থানে যান। প্রবাসীরা জানিয়েছেন যে, প্রবাসীরা একস্থানে থাকেন না। তারা দুরে দুরে থাকেন। তারা সবাই পরে একস্থানে আসেন। যারা একস্থানে থাকেন তারা সবাই একটি পরিবহণ ভাড়া করে বা নিজস্ব পরিবহণ ভাড়া করে পিকনিক স্পটে যান। চাঁদা স্ব-স্ব কর্তা ব্যক্তিরা তুলেন। তবে কোন কোন সংগঠন এবং দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে টাকা অনুদান হিসাবে তুলে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা জানিয়েছেন, এই পিকনিকে তাদের আত্মিক বন্ধন শক্তিশালি হয় এবং একে অপরকে জানার সুযোগ হয়। তারা এই জন্য ধারাবাহিকতা রক্ষা করেন। গেলো দুই বছর করোনার কারণে প্রবাসীরা পিকনিক করতে পারেনি। এতে কারো সঙ্গে কারো দেখা হয়নি। গত দুই বছর যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা একে অপরকে খুব ভাল করে মিস করেছেন বলে জানিয়েছেন। এ বছরের বনভোজন গুলোতে এক অপরকে পেয়ে তারা আবেগপ্রবণ হয়েছেন, কেউবা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছেন। তারা এই বনভোজনকে একটি পারিবারিক বন্ধন এ্বং মহতি উদ্যোগ হিসাবে নিয়েছেন।