যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলার আগ্রহ ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী পেসারের

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual7 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট, ইউএসঃ ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী পেসার লিয়াম প্ল্যাঙ্কেট। ডানহাতি এ পেসারের স্ত্রী আমেরিকান। অবসরের পর যুক্তরাষ্ট্রেই স্থায়ী হওয়ার ইচ্ছে প্ল্যাঙ্কেটের। এর আগে যদি যুক্তরাষ্ট্রে খেলার সুযোগ পান তাহলে সেটি কাজে লাগানোর ইচ্ছে প্ল্যাঙ্কেটের।

Manual5 Ad Code

২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল নিজেদের পুরো পাল্টে ফেলে। ভয়ডরহীন ক্রিকেট হয়ে উঠে ইংল্যান্ডের প্রধানতম অস্ত্র। ব্যাটিংয়ে তারা ফিয়ারলেস। বোলিংয়ে আক্রমণাত্মক। সেই বোলিং আক্রমণের সফলতম বোলারের একজন লিয়াম প্ল্যাঙ্কেট। ২০১৯ বিশ্বকাপের শিরোপা জেতে ক্রিকেটের জনকরা। প্ল্যাঙ্কেটের পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া। বিশ্বকাপের ফাইনালেও ডানহাতি পেসার তিন উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডকে চাপে রেখেছিলেন।

কিন্তু বিশ্বকাপের পর তাকে মূল্যায়ন করেনি ইংল্যান্ড ক্রিকেট। দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকেও বাদ পড়েন প্ল্যাঙ্কেট। এরপর সর্বশেষ ৫৫ জনের যে অনুশীলনের তালিকা ইসিবি তৈরি করেছে সেখানেও তিনি উপেক্ষিত। সব মিলিয়ে ৩৫ বছর বয়সী পেসারের ইংল্যান্ডের ক্যারিয়ার প্রায় শেষের পথেই। তাইতো ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষটা যুক্তরাষ্ট্রে করার ইচ্ছে এ পেসারের।

Manual4 Ad Code

বিবিসিকে প্ল্যাঙ্কেট বলেছেন,‘যদি যুক্তরাষ্ট্রে খেলার সুযোগ থাকে তাহলে দারুণ হবে। আমার বাচ্চারা আমেরিকান হবে। তাদের সঙ্গে থেকে সেখানে খেলতে পারার সুযোগটি আসলে ভালো। ইংল্যান্ডের পর যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেট খেলতে পারা হবে দারুণ সম্মানের।’

Manual5 Ad Code

২০১৯ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গণমাধ্যমে এসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন ব্যাটসম্যান জেভিয়ের মার্শাল, হ্যাম্পশায়ারের অলরাউন্ডার ইয়ান হল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার রাস্টি থেরনকে তারা ডাকতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলার জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। অন্তত তিন বছর যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে হবে প্ল্যাঙ্কেটকে। এরপর খেলার সুযোগ পাবেন। তাতেও আপত্তি নেই প্ল্যাঙ্কেটের।

তার ভাষ্য,‘আমি ইংরেজ নাগরিক, সর্বদা ইংরেজ-ই থাকব। আমি এখনও ফিট আছি। বিশ্বাস করি সর্বোচ্চ পর্যায়ে ক্রিকেট খেলার জন্য এখনও প্রস্তুত আছি। যদি যুক্তরাষ্ট্রে খেলার সুযোগ থাকে অবশ্যই আমি সেটা কাজে লাগাব। সেখানে গিয়ে নাগরিক হওয়া বা গ্রিন কার্ড পাওয়া গেলে আমি তাদের উন্নয়নেও কাজে আসতে পারি। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের হয়ে ক্যারিয়ার শেষ করে সেখানে শুরু করতে পারা আমার জন্য ভিন্ন আমেজের হবে। সেখানে ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িত হতে পারলে ভালো লাগবে।’

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code