যুক্তরাষ্ট্রে বার্ষিক ভেটেরান্স ডে পালিত

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual7 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ

যুক্তরাষ্ট্রে বার্ষিক ভেটেরান্স ডে পালিত হয়েছে বৃহস্পতিবার ।

ভেটেরান্স ডে’তে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আর্লিংটনের জাতীয় কবরস্থানে দেশটির সাবেক সেনাদের ‘আমেরিকার মেরুদন্ড’ হিসেবে উল্লেখ করে স্যালুট করেছেন। এটা প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেনের প্রথম ভেটেরান্স ডে পালন।

বাইডেন বলেন, ‘যে মহিলা এবং পুরুষরা যুদ্ধ করেন, তাদের জন্য যুদ্ধে কম ঝুঁকি বা কম মূল্যের কিছু নেই’। দিবসটির শুরুতে বাইডেন প্রশাসন, ক্ষতিকর পরিবেশে মোতায়েন সেনারা যে নানা রকম শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন তা ভালভাবে বোঝার, চিহ্নিত করার এবং চিকিৎসার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের একটি উদ্যোগ ঘোষণা করেছে।

হোয়াইট হাউজের মতে, বিষাক্ত পরিবেশে শ্বাস নেয়া সেনাদের ফুসফুসের সমস্যাকে কেন্দ্র করেই ঐ সম্প্রসারিত উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিরল ধরনের ক্যান্সার এবং বিদেশের দূষিত বাতাসে কতটা সময় শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া হচ্ছে- তার মধ্যে সম্ভাব্য সংযোগ রয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তারা, ফুসফুস ও শ্বাসকষ্টের সমস্যাগুলো পরীক্ষা করার মধ্য দিয়ে শুরু করার পরিকল্পনা করেছেন। তবে তারা বলছেন, বিজ্ঞান সম্ভাব্য নতুন সংযোগগুলো সনাক্ত করার পর তারা উদ্যোগটি প্রসারিত করবে।

এ বছর ভেটেরান্স ডে পালিত হচ্ছে প্রেসিডেন্ট বাইডেন আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের আদেশ দেবার ঠিক দুই মাস পর। ঐ আদেশের মধ্য দিয়ে আমেরিকার দীর্ঘতম যুদ্ধের অবসান হয়েছে। প্রায় ২০ বছরের ঐ যুদ্ধে ২৪৬১ জন আমেরিকান সেনা নিহত হন।

Manual6 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

 

ভেটেরান্স ডে যা আগে আর্মিস্টিস ডে হিসেবে পরিচিত ছিল একটি সরকারী ছুটির দিন যা ১১ নভেম্বর প্রবীণ এবং সাবেক সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য পালন করা হয়ে থাকে। এই বছর এই দিনটিতে নাম না জানা সৈনিকদের সমাধি, “টোম্ব অফ দ্য আননোন সোলজার” এর ১০০তম বার্ষিকীকেও স্মরণ করা হচ্ছে। প্রতি বছর কয়েক লক্ষ দর্শক এই স্তম্ভটি দেখতে আসেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক কবরস্থানের একজন ইতিহাসবিদ টিম ফ্র্যাঙ্ক বলেন, সমাধিটি একটি “পবিত্র ভূমি”।এটি ৪ লক্ষের ও বেশি নারী-পুরুষদের শেষ বিশ্রামের স্থান।

ফ্র্যাঙ্ক ভিওএকে বলেন, এটি এমন একটি জায়গা যেখানে লোকেরা কেবলমাত্র প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মারা যাওয়া নাম না জানা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান না, আমেরিকার বিভিন্ন যুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছেন এমন সমস্ত পরিচিত ও অপরিচিত সৈন্যদের প্রতিও তারা শ্রদ্ধা জানাতে আসেন।

Manual3 Ad Code

স্মৃতিস্তম্ভটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রক্তাক্ত ইতিহাসেরও একটি স্মারক।

১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সালের মধ্যে মহাযুদ্ধ যার বেশিরভাগই ইউরোপে সংঘটিত, তাতে লক্ষাধিক মানুষ মারা গিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের এক লক্ষের ও বেশি লোক হতাহত হয়েছিল। অনেক সৈন্য যারা মারা গেছে তাদের শনাক্ত করা যায়নি, তাদের ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কবরস্থানে সমাধিস্থ করা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

১৯২০ সালে আর্মিস্টিস ডেতে ব্রিটেন এবং ফ্রান্স প্রত্যেকে একজন অজানা সৈনিককে কবর দেয় এবং যুক্তরাষ্ট্র শীঘ্রই এটি অনুসরণ করে।

১৯২১ সালে একজন অজানা আমেরিকান সৈন্যকে আর্লিংটন জাতীয় কবরস্থানে দাফনের জন্য ফ্রান্স থেকে ওয়াশিংটনে আনা হয়েছিল।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code