যেসব আয়াতে সজ্জিত পবিত্র কাবা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual4 Ad Code

ডেস্ক নিউজ: মক্কা মুকাররমার কাবা শরিফ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর পবিত্র কিবলা। দৈনিক অন্তত পাঁচবার এদিকে ফিরেই নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। কাবাগৃহের গিলাফ (কিসওয়াহ) সারা বছরই সোনার হরফে কোরআনের নানা আয়াতের ক্যালিগ্রাফিতে সজ্জিত থাকে। ২০ বছর ধরে কাবার গিলাফের ক্যালিগ্রাফির কাজ করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুখতার আলম শিকদার। তিনিই গিলাফের প্রধান ক্যালিগ্রাফার। গিলাফের চারদিকের দেয়ালগুলোর কোনটিতে কোন আয়াত লেখা হয়েছে-সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে তিনি তা জানালেন। আয়াতগুলোর বাংলা অনুবাদ ও কোনটি কোথায় লিপিবদ্ধ আছে তা তুলে ধরা হলো—

বাবে মুলতাজাম

বাবে মুলতাজাম পবিত্র কাবাগৃহের একটি অন্যতম নিদর্শন। এটির অবস্থান গৃহের পূর্ব দিকের দেয়ালের হাজরে আসওয়াদ এবং কাবার দরজার মধ্যখানে। কেউ কেউ বলেন, পুরো পূব দেয়ালটাই মুলতাজাম। এখানে সুরা বাকারার ১২৫, ১২৭ ও ১২৮ নম্বর আয়াত লিপিবদ্ধ আছে।

আয়াতগুলোর অর্থ— ‘এবং স্মরণ কর, যখন আমি কাবাগৃহকে মানুষের জন্য মিলনকেন্দ্র এবং নিরাপদস্থল করলাম এবং বললাম, মাকামে ইবরাহিমকে সালাতের স্থান হিসেবে গ্রহণ করো এবং ইবরাহিম ও ইসমাঈলকে বলেছিলাম, আমার গৃহকে তাওয়াফকারী, ইতিকাফকারী এবং রুকু ও সেজদাকারীদের জন্য পবিত্র রাখবে।’

Manual3 Ad Code

‘আর (স্মরণ কর) যখন ইবরাহিম ও ইসমাঈল কাবাগৃহের ভিত্তি তুলছিল, তখন প্রার্থনা করলো, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের পক্ষ থেকে কবুল করো, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাতা।’

‘হে আমাদের প্রতিপালক! ‘আমাদেরকে তোমার অনুগত করো। আমাদের সন্তানদের থেকে এমন একদল সৃষ্টি করো, যারা তোমার আজ্ঞাবহ হয় আর আমাদেরকে ইবাদাতের নিয়ম-কানুন শিক্ষা দাও এবং আমাদের অপরাধ ক্ষমা করো, নিশ্চয়ই তুমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’

হাজরে ইসমাঈল (আ.)

Manual5 Ad Code

এটির অবস্থান কাবাগৃহের উত্তরে। অর্ধ-বৃত্তাকার নিদর্শনটিকে হাতিমে কাবাও বলা হয়। যদিও এটি কাবার বহিরাংশ। তবে হাদিস দ্বারা প্রমাণিত—এর মধ্যে নামাজ আদায়ে কাবার অভ্যন্তরে নামাজ আদায়ের সওয়াব পাওয়া যায়। এদিকটায় সুরা বাকারার ১৮৬, ১৯৭, ১৯৮ এবং সুরা হিজরের ৪৯ নম্বর আয়াতের ক্যালিগ্রাফি করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

আয়াতগুলোর অর্থ— ‘আর যখন আমার বান্দাগণ তোমাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে, আমি তো নিশ্চয় নিকটবর্তী। আমি আহ্বানকারীর ডাকে সাড়া দেই, যখন সে আমাকে ডাকে।’

Manual3 Ad Code

‘হজ হয় কয়েকটি নির্দিষ্ট মাসে, অতপর এ মাসগুলোতে যে কেউ হজ করার মনস্থ করবে, তার জন্য হজের মধ্যে স্ত্রী সম্ভোগ, অন্যায় আচরণ ও ঝগড়া-বিবাদ বৈধ নয় এবং তোমরা যে কোন সৎ কাজই কর, আল্লাহ তা জানেন এবং তোমরা পাথেয়ের ব্যবস্থা করবে আর তাকওয়াই (আল্লাহভীতি) শ্রেষ্ঠ পাথেয়। হে জ্ঞানী সমাজ! আমাকেই ভয় করতে থাক।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code