লক্ষ্মীপুরে ঠান্ডায় বাড়ছে ডায়রিয়া ও নিউমনিয়া রোগি

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual7 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

তাবারক হোসেন আজাদ, লক্ষ্মীপুর:

চলছে বৈরী আবহাওয়া। ঠান্ডায় লক্ষ্মীপুরে বেড়ে চলছে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা। গত ৭দিনে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালই নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে প্রায় ৫ শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। ২শতাধিকের বেশি ভর্তি হয়েছে। সদরসহ পাঁচ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর চিত্র একই। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া প্রতিরোধে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার খুবই জরুরী।

লক্ষ্মীপুর জেলা সদর হাসপাতাল ১০০ শয্যার। দিনে প্রচন্ড গরম আর রাতে ঠান্ডার কারণে প্রতিদিন নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে ভিড় করছেন। আক্রান্ত হয়ে জরুরী বিভাগে ৭০/৮০ শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। এর মধ্যে ২৫/৩০জন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে গত ৭দিনে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় ৫ শতাধিক রোগী। এর মধ্যে দুই শতাধিক শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। রোগীর অনুপাতে হাসপাতালে বেড না থাকায় চিকিৎসা নিতে হাসপাতালের মেঝেতে অবস্থান নিয়েছেন রোগীরা।

Manual3 Ad Code

এছাড়া প্রতিবেডে এক শিশুকে চিকিৎসা দেয়ার কথা থাকলেও বেড না থাকায় দুই শিশুকে এক বেডে থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে করে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রোগী ও স্বজনদের। এছাড়া কমলনগর, রামগতি, রায়পুর ও রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও ভর্তি হচ্ছে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীরা। পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্স না থাকায় এসব রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, ভর্তির পর হাসপাতাল থেকে তাদের খাবার স্যালাইন ও সামান্য কিছু ঔষধ দেয়া ছাড়া বাকী ঔষধ বাহির থেকে কিনতে হয়। এছাড়া তেমন চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেন তারা। প্রতিদিনই ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েইন চলছে। তবে প্রতিবেডে এক শিশুকে চিকিৎসা দেয়ার কথা থাকলেও বেড না থাকায় দুই শিশুকে এক বেডে থেকে এবং মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে করে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।

Manual7 Ad Code

লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডাক্তার আব্দুল গাফফার চৌধুরী জানান, অন্য মাসের তুলনায় গত কয়েকদিন যাবত ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। দৈনিক ২৫/৩০ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত ঔষধ সরবরাহ থাকলেও জনবল সংকটের কারণে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। ঠান্ডা-গরমের কারনে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার প্রকোপ বাড়ছে। মনিটরিং করে সাধ্যমতে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া প্রতিরোধে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন এ কর্মকর্তা।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code