লন্ডনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী পালিত

লেখক: Nopur
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual7 Ad Code

মুহাম্মদ সালেহ আহমদ, লন্ডন :

জমজমাট আয়োজনের মাধ্যমে লন্ডনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ৫০ বছর পূর্তিতে সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব পালিত হয়েছে।

Manual1 Ad Code

২৫ জুন রিজেন্টলেকহলে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রছাত্রীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় দিনব্যাপী এক মিলনমেলা। সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহবায়ক জহির মুহাম্মদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব পারভেজ মল্লিকের সঞ্চালনায় শুরু হয় অনুষ্ঠানের আলোচনা ও স্মৃতিচারণ। ক্যাম্পাসের মজার স্মৃতি সবাইকে নিয়ে যায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ক্যাম্পাসে।

Manual2 Ad Code

উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাওয়ার হ্যামলেটের মেয়র লুৎফর রহমান। নির্দলীয় জনপ্রিয় এই মেয়রের উপস্থিতি উৎসবে ভিন্ন একটি মাত্রা এনে দেয়। উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে মেয়র লুৎফর রহমানকে সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের স্মারক উপহার দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ডেপুটি মেয়র অহিদ আহমেদ।

Manual2 Ad Code

সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম ব্যাচের ছাত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ খিজিরকে। এছাড়াও বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয় আইঅন টিভির কর্ণধার আতাউল্লাহ ফারুক এবং ইফতি আহমেদকে। স্পন্সরদের হাতে উৎসবের স্মারক তুলে দেন মো. ইকবাল হোসেন, আশরাফুন্নেসা রোজী, সৈয়দ শাহিন আহমেদ, আসমা শাহ, আব্দুর রহমান মিঠু, সিনা আকন্দ, হাবিবে আলম চৌধুরী, ওয়াকারুল আমিন রনি, সিকান্দার আলী সিকো, আনিসুর রহমান, ড. আসমা পারভিন মুক্তা, চৌধুরী নিয়াজ মাহমুদ লিঙ্কন।

Manual7 Ad Code

বিকালে সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহবুবা জেবিন এবং ড. সাবের শাহের প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় শুরু হয় জমজমাট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রথমেই আলিম আল রাজী তার মিষ্টি গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। এরপর লন্ডনের ক্ষুদে সেনসেশন আরওয়া রশিদ দেশের গান এবং লালনের গান গেয়ে অতিথিদের মন জয় করে নেন। তার কচি কণ্ঠের গাওয়া ‘বাড়ির পাশে আরশিনগর’ গানটি সবাইকে নিয়ে যায় জাবিয়ানদের আরশিনগর জাহাঙ্গীরনগরে।

এরপর মঞ্চে আসেন ক্লোজআপ তারকা রাশেদ উদ্দিন। রাশেদ তার মায়াবি কণ্ঠের জাদুতে আবিষ্ট করে রাখেন সবাইকে। তার গানে দর্শকরা একাধারে নেচেছেন আবার ‘মা’ গান শুনে অনেকে কেঁদেছেন।

এরপর মঞ্চ মাতাতে আসেন শারমিন দিপু। দিপুর জমজমাট পরিবেশনা সবাইকে নাচতে বাধ্য করে। মঞ্চ থেকে নেমে এসে সবার সাথে নাচে যোগ দেন দিপু। চলতে থাকে সমবেতভাবে গান আর নাচ।

সবশেষে মঞ্চে আসেন লন্ডনের জেমস খ্যাত রাজ হাসান। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে পরিণত হয় ‘চল বদলে যাই’, মীরাবাঈ গানের মূর্ছনায়। রাজের পরিবেশনার মাধ্যমে শেষ হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

উপস্থিত শিশু এবং র‌্যাফেল ড্রয়ের মাধ্যমে ১০ জন বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এভাবেই হাসি আনন্দের মধ্য দিয়ে বিদায়ের সুর বেজে উঠে।

উৎসবে পরিবারসহ আরও অংশগ্রহণ করেন- মো. সিদ্দিক, ডক্টর মাধু আচার্য, কামাল মুস্তাফা, একেএম রাকিবুদ্দিন শাহিন, রুবিনা আক্তার রেখা, মো.নজরুল ইসলাম, নাসিমা সুলতানা চৌধুরী, হুমায়ুন কবির, মো.আসাদ উল্লাহ, ইন্দ্রজিত সাহা, সুফিয়া কমর বেবি, মো. নুর হাসান মামুন টুটুল, আশরাফুল আলম, মো.নিয়াজ উদ্দিন বাবু, মতিয়ার রহমান, মো.আখতার আজাদ পাপ্পু, ড. শাকিল আহমেদ, হাফিজা আক্তার, মনির মোহাম্মদ জামান, সাঈদ উদ্দিন আহমেদ, মুকিত শামস জয়, মো.আলমগীর হোসেন বিদ্যুৎ, ড. নজরুল ইসলাম বিদ্যুৎ, ফারহানা ইয়াসমিন চমন, মোরশেদ ঠাকুর, হোসনে তৌহিদ পাভেল, কামরুল হাসান মঞ্জু, মো.শফিউল আজম সুমন, সৈয়দ ইফতেখার ইফতি, মুসফিকুর রহমান ভুঁইয়া জেম, আহমেদ হাসান,কাজী মহিবুল ইসলাম লিমন, আজিজুল করীম লিপু, সাবিহা সুলতানা, সোনিয়া করীম, ড. মিজানুর রহমান জামী, বুলবুল আহমেদ, সজীব ভুইয়া, মাহবুবা আক্তার দীপা, নাজমুস সাকিব, মো. শফিকুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ, মো. রায়হানুর রহমান, রানা নাজিমুদ্দিন, আহসানুল চৌধুরী নাহিয়ান, আলী মোহাম্মদ, মো. সাইদ হোসেন তুষার, তানজিম মাহবুব, মো. হাসান অয়নসহ অনেকে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code