

প্রতিনিধি, হাতীবান্ধা :
উত্তরের হিমেল হাওয়া ও কুয়াশায় লালমনিরহাটে জেঁকে বসেছে শীত। ফলে তিস্তা তীরবর্তী অসহায়, খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষজনের দূর্ভোগ বেড়েছে।উত্তরের সীমান্ত ঘেঁষা, তিস্তা তীরবর্তী জনপদ লালমনিরহাটে দিন দিন শীতের তীব্রতা বাড়ছে। সারাদিনেই কুয়াশার চাঁদরে ঢেকে থাকছে এ জেলা। শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত এলালার খেটে খাওয়া অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষজন, শিশু ও বয়স্করা। রাস্তাঘাটে যানবাহন চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। রাত যত গভীর হয় শীতের তীব্রতা ততই বাড়তে থাকে। গত কয়েকদিন ধরে সূর্র্যের তেমন দেখা মিলছেনা। শীতের তীব্রতা ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলছে। জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার বাড়াই পাড়া গ্রামের সুবল চন্দ্র বলেন, ঠান্ডা ও কুয়াশায় ক্ষেতে কাজ করা যায়না। শীত লাগে হা, পা ও কানে। কিন্তু উপায় না থাকায় এ শীতে কস্ট করে মাঠে যাই কাজ করতে। লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর জানান, এ পর্যন্ত শীতার্ত মানুষজনের মাঝে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩৪ হাজার কম্বল ও ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।এ জেলার কর্মহীন , অসহায় ও শীতার্ত মানুষজনের পাশে সরকারি ও বেসরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ জরুরী বলে দাবী স্থানীয়দের।