শান্তিপূর্ণ মিছিল-মিটিং করেন, কেউ কিছু বলবে না: প্রধানমন্ত্রী

লেখক:
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual8 Ad Code

বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমিতো আন্দোলন করার কথা বলেছি। আমিতো বলেছি মিছিল করেন, মিটিং করেন শান্তিপূর্ণ। কেউ কিছু বলবে না। যেখানে শান্তিপূর্ণ হচ্ছে সেখানেতো কেউ কিছু বলছে না।’

Manual6 Ad Code

বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের ১৯তম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি আন্দোলনের নামে সহিংসতা করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরাতো মাঠে নেমেই আগে কোথায়, কাকে আক্রমণ করবে, কীভাবে একটা অবস্থা তৈরি করবে সেটি ভাবে। কেননা এমনি এমনি মিছিল করলেতো মিডিয়া কভারেজ পাবে না। মিডিয়াতে কভারেজ বাড়ানোর জন্যই তারা এমন একটা ঘটনা ঘটাবে।

Manual3 Ad Code

সরকার বিরোধী দলের কর্মসূচি দমন করছে বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছুক্ষণ আগে রুমিন ফারহানা বলে গেল, খুব খারাপ নাকি অবস্থা। ভোলার একটা ঘটনা নিয়ে সে খুবই চিৎকার, চেঁচামেচি করে অনেক প্রতিবাদ করে গেছে। বাংলাদেশের অবস্থাটা কী? বাংলাদেশে কী হতো? পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হত্যা করা হলো। খুনিদের আরও উৎসাহিত করা হলো। বিচারের হাত থেকে রেহাই দেওয়া হলো। হ্যাঁ, আমি বলেছি পুলিশকে কিছু না বলার জন্য, এটা ঠিক। কিন্তু পুলিশতো আগ বাড়িয়ে কিছু করেনি।

Manual3 Ad Code

শেখ হাসিনা বলেন, যেকোনো মানুষের আক্রান্ত হলে নিজেকে বাঁচাবার অধিকার আছে। পুলিশের কী আক্রান্ত হলেও নিজেকে রক্ষা করবার কোনো অধিকার থাকবে না? ওনাদের কথায় মনে হয় তারা বোমা ছুড়বে, লাঠি মারবে, ঢিল মারবে, গুলি করবে, সব করবে। আর তাদের কিছু বলা যাবে না।

গুম, খুন, হত্যার বিষয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদের বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে পঁচাত্তরের পরে কি ঘটেছে? বা পরবর্তীতে? যে অগ্নি সন্ত্রাস, ২০০১ সালের নির্বাচনের বরিশালের আগৈলঝাড়া, গৌরনদীর ২৫ হাজার লোক আমার কোটালিপাড়া, টুঙ্গিপাড়ায় আশ্রয়ণ নিয়েছিল। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মতো ধর্ষণের উৎসব করেছিল।

আওয়ামী লীগের অনেক নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে এখন আমাদের কথা শুনতে হয়। যাদের হাতে রক্তের ছাপ। যাদের উত্থানই হয়েছিল হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে। জাতির পিতার পরিবারের সকলকে হত্যা করে। সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে যে দলের জন্ম সেই দলের কাছ থেকে আমাদের গণতন্ত্রের শিক্ষা নিতে হয়। হারুন সাহেব বলেন, ভোট নাকি দেওয়া যায় না। ওনার এলাকায় নাকি ভোট ডাকাতি হয়েছে। কথাটা মনে হয় ঠিকই। উনি যে জিতে এসেছেন, নিশ্চয়ই ভোট ডাকাতি করেই জিতে এসেছেন। তিনি যদি ভোট ডাকাতি করে না আসবেন, তাহলে উনি বুঝলেন কি করে, ভোট ডাকাতি হয়েছে। কারণ ভোট যদি না হয়েই থাকে তাহলে উনি জিতলেন কী করে।’

Manual8 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বিরোধী দল ও গণমাধ্যম এমন একটা হতাশা ছড়ায় যে সব শেষ হয়ে গেল। কিন্তু নিজেরা কিন্তু ভালোই আছেন, চলছেন। রাস্তাঘাট উন্নতি হয় নাই, আমি বলব যান না গ্রামে, সেখানে গিয়ে দেখেন মানুষের কি অবস্থা। হতাশাব্যঞ্জক কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করা, এটা মোটেও সমীচীন না বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code