শ্রীপুরে পরকীয়ার বিরোধে দুই নারী ও শিশু হত্যা ॥ গ্রেপ্তার ৩

লেখক:
প্রকাশ: ১০ years ago

Manual2 Ad Code

Sreepur, Gazipur 3 arrested for Trpile murder -1

Manual2 Ad Code

রায়হানুল ইসলাম আকন্দ, গাজীপুর প্রতিনিধি ॥

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি টেংরা গ্রামের পরকীয়ার বিরোধে দুই নারী ও এক শিশু হত্যার অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার মাস্টারবাড়ী এলাকা থেকে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

Manual6 Ad Code

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার চালা অফিস পাড়ার হাজী আব্দুল মান্নানের ছেলে আল আমীন (৩২), একই জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার মাহাবুবুল আলমের ছেলে নয়ন (২০) ও প্রাইভেটকার চালক জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার পবাহার নোয়াপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে রবিউল ইসলাম (২২)।

আল আমীন ও নয়ন শ্রীপুর পৌরসভার গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ী এলাকার রিজভী-মীম-নিশি বস্ত্রালয় এন্ড ফার্ণিচার স্টোরের কর্মচারী। রবিউল ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক মিজানুর রহমানের প্রাইভেটকারের চালক।

নিহতরা হলেন শ্রীপুরের টেংরা গ্রামের বাদল মন্ডলের স্ত্রী নাসরিন মন্ডল (৩০), হাদিকুলের স্ত্রী মেহেরুন আক্তার (৪৮) ও মেহেরুনের পালিত নাতি শিশু জাইমতি (৪)। নাসরিন মেহেরুনের ভাতিজি।

শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জানান, গত রোববার বেলা ১১টার দিকে জাইমতিকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে শিশুসহ ওই দুই নারী শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। নাসরিন দুপুর ১টার দিকে তাদেরকে নিয়ে গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ির ওই স্টোরে যায়। স্টোরের কর্মচারী আল আমীন নাসরিনের দ্বিতীয় পরকীয়া প্রেমিক। ওই স্টোরে দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। আল আমীন এক পর্যায়ে নাসরিনকে শ^াসরোধে হত্যা করে। পরে ঘটনা জানাজানির ভয়ে কর্মচারীদের নিয়ে ওই দু’জনকেও শ^াসরোধে হত্যা করে।

হত্যার পর তিনজনের মৃতদেহ বস্তাবন্দী করে। পরে স্টোরের মালিক মিজানুর রহমানের প্রাইভেটকারে উঠিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর থানার খাজা খানজাহান আলী মেডিকেল কলেজের পাশে যমুনা নদীতে বস্তাবন্দী অবস্থায় লাশ ফেলে রেখে রাতেই শ্রীপুরে ফিরে আসে। গোপন সুত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যায় জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন।

Manual4 Ad Code

এনায়েতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বিশ্বাস জানান, সোমবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে যমুনা নদীতে দু’টি বস্তা ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তা দু’টি উদ্ধার করে। বস্তা খুলে একটির ভেতর এক শিশু ও নারী এবং অপর বস্তায় আরেক নারীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। মৃতদেহের স্বজনেরা সোমবার রাতে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেন।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code