সংবাদ প্রকাশের পর বয়স্ক ভাতার কার্ড পেলেন হুমায়ূন আলি

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual1 Ad Code

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ):
দৈনিক সোনার দেশ,দৈনিক ইত্তেফাক সহ বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর পরই সংসদ সদস্য ডা: শিমুল ও সমাজ সেবা অফিসার কাঞ্চনের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ৭১সালে পাকবাহিনাীর গুলিতে আহত হুমায়ুন আলি বয়স্ক ভাতার কার্ড পেলেন। সোমবার দুপুরে শিবগঞ্জ কলেজ চত্বরে ৭১সালে গুলিবিদ্ধ হুমায়ুন আলির হাতে বয়স্কভাতার কার্ড তুলে দেন ৪৩চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১(শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ডা: সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল, এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা কাঞ্জন কুমার দাস, শিবগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ব্রাইনির ইসলাম, সমাজ সেবা অফিসের কর্মচারী বুলবুল হোসেন, শিবগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি প্রভাষক রফিকুল ইসলাম,শিবগঞ্জ উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সফিকুল ইসলাম,সদস্য শাহ আলম, প্রফুল্ল কুমার রবিদাস ও ধোপপুকুর বাজার উন্নয়ন তরুন ক্লাবের সভাপতি আহসান হাবিব প্রমুখ।এ সময় সংসদ সদস্য শিমুল বলেন, স্বাধীনতার ৪৮বছর পর স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকবাহিনীর গুলিতে আহত হুমায়ুন আলির সংবাদ ইত্তেফাক,দৈনিক সোনার দেশ সহ বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ পড়ে জানতে পেরে দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে হুমায়ুনের বয়স্কভাতার কার্ড এর ব্যবস্থা করে দিলাম। তিনি আরো বলেন উপজেলায় যাদের বয়স হয়ে গেছে তারা পর্যায়ক্রমে সবাই বয়স্কভাতার কার্ড পাবেন তবে যদি কেউ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হুমায়ুনের মত আহত অবস্থায় থাকে এবং জানা যায় তবে সংগে সংগে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা সমাজসেবা অফিসকে নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য যে মোবারকপুর ইউনিয়নের ধোপপুকুর বাজার উন্নয়ন তরুন ক্লাবের সভাপতি আহসান হাবিব ও ক্লাবের সদস্যদের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে সরজমিনে গত শনিবার সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ইত্তেফাকের শিবগঞ্জ সংবাদদাতা সফিকুল ইসলাম, শিবগঞ্জ মহিলা কলেজের ইতিহাসের শিক্ষক জোহরুল হক,ধোপপুকুর বাজার উন্নয়ন তরুন ক্লাবের সভাপতি,আহসান হাবিব মোবারকপুর ইউনিয়নের কলাবাড়ি গ্রামে গিয়ে তথ্য অনুসন্ধানের পর সংবাদ দৈনিক ইত্তেফাক,দৈনিক সোনার দেশসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় কেউ খোঁজ নেয়নি ৭১সালে পাকবাহিনীর হাতে গুলিবিদ্ধ হুমায়ুনের শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা প্রশাসনের টনক নড়ে এবং পরের দিন দুপুরে হুমায়ুন আলিকে ডেকে বয়স্ক ভাতার কার্ড তুলে দেন। আরো উল্লখ্য যে ১৯৭১সালে ৮ অক্টোবর সোমবার উপজেলা শ্যামপুর ইউনিয়নের বাজিতপুর চৌধূরী পাড়ার আলতাফ চৌধূরী, মিন্টু চৌধূরী,আব্দুল বারী চৌধূরী সহ ৭/৮জনকে পাকবাহিনী গুলি করে হত্যা করলে আতংকিত হয়ে পার্শ্ববর্তী সদাসেবপুর গ্রামের লোকজন ভয়ে পালানোর সময় তিনজনকে পাকবাহিনী তাদের দেখে ফেললে বাঁশ বাগানের মধ্যে স্বাধীনতার পক্ষের ৪০জন যুবককে গোল করে বসিয়ে গুলি করলে হুমায়ুনের আপন দুইভাই সহ ৯জন সংগে সংগে মারা যায় এবং ২৫জন আহত হয়। আহত ২৫জনের মধ্যে হুমায়ুন আলি একজন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code