সরকারি তালিকা থেকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের নাম বাদ দিতে হবে

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual6 Ad Code

সম্পাদকীয়: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধা জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করেছেন তাদের অবদান কখনত্ত কোন কিছুর বিনিময়ে সোধ করা যাবে না। এটাই বাস্তবতা। কিন্তু, আশংঙ্কাজনক হারে দেশে বেড়ে গেছে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। প্রত্যেক বছর মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে জমা পড়ছে নতুন নতুন মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা। কিন্তু, সময়ের বাস্তবতা হচ্ছে দেশের বয়স যতো বাড়বে ততো মুক্তিযোদ্ধা কমে আসবে। গেজেটভুক্ত প্রায় ৫৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধার সব ধরনের তথ্য পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। উদ্যোগটি প্রশংসনীয়।এসব মুক্তিযোদ্ধার বেশিরভাগই ২০০২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কোনোরকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন। এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের আইন লঙ্ঘিত হয়েছে। কেউ একটা আবেদন লিখে জমা দিয়েছেন, তিনিও মুক্তিযোদ্ধা বনে গেছেন। কাজেই সঠিক যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমেই মুক্তিযোদ্ধার তালিকা চূড়ান্ত করা প্রয়োজন।অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা সনদ পর্যন্ত নেননি। অথচ মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নিয়েও অনেকে কারচুপির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নাম লিখিয়েছেন। তারা নিশ্চয়ই গর্হিত কাজ করেছেন। অমুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে-প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা যেন এ প্রক্রিয়ায় বাদ না পড়েন। তেমনটি ঘটলে সেটা হবে অত্যন্ত দুঃখজনক। মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নিয়ে যারা মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, তাদের অবশ্যই ছেঁটে ফেলতে হবে ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code