

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥
করোনা ভাইরাসের সংক্রমন থেকে রক্ষা পেতে সরকারের পক্ষথেকে অইনশৃংখলা বাহিনী ও প্রশাসন জনসাধারনকে মাইকিং করে ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। সকাল থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত গ্রামাঞ্চলের দোকানপাট ও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সকল দোকানপাট বন্ধ করে ঘওে থাকার নির্দেশ দেয়। শুধুমাত্র ঔষধপত্রের দোকান হাসপাতাল খোলা থাকার কথা বলেছে। অতিব প্রয়োজনে ঘরের বাইওে আসলে মাস্ক পওে বাইওে আসতে হবে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে হবে। অযথা কোন কারনে বাইওে ঘোরা ফেরা করা যাবেনা। বিশেষ করে নড়িয়া উপজেলার আমান উল্লাহ বেপারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরন করায় ঐ এলাকায় দুটি গ্রাম একটি বাজার ও দুই আতœীয়ের বাড়ি লকডাউন করে রাখা হয়েছে। নড়িয়া উপজেলার সকল হাটবাজার অনিদিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে।সারা জেলাই এখন ঝুঁকিতে রয়েছে। জেলা সদরে প্রশাসন ও আইন শৃংখলা বাহিনী বার বার এসে লোকজনদেরকে সচেতন করে সরিয়ে দেয়া হয়। তাতে ও জনসাধারন মানছেনা। প্রশাসনের লোকজন চলে গেলে আবার বাজারে এক সাথে অনেক লোকজন ভিড় জমায়। অপ্রয়োজনের এসে ঘোরাফেরা করছে। অনেকের মাস্ক নেই। যদি কারো থাকে তাও রেখেছে পকেটে। মুখের নিচে ঝুলিয়ে রাখে। এ ভাবে করোনাকে ফাঁকি দিতে এক সময় দেখা যাবে নিজেই ফাঁকি হয়ে যাবো। তার পরেও মানুষ বেপরোয়া হয়ে চলাচল করছে। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অনেক নারী পুরুষ বাজারে ভিড় জমায় । এরপর আবার বিকেলে একই ভাবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বাজারে শত শত লোকজন ভিড় করছে। জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহন না করলে এদের মাধ্যমে এলাকায় করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশংকা রয়েছে।
নিরালা এলাকার মিলন খান বলেন, এলাকার মানুষ সরকারী নির্দেশনা মানছেনা। তারা অপ্রয়োজনে বাজারে ঘোরাফেরা করছে। তাদেও মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে।তাই বন্ধ করা উচিৎ।
পালং মডেল থানার ওসি মোঃ আসলাম উদ্দিন বলেন, পালং বাজারে লেঅক সমাগম বেশী । আমরা মানুষকে বার বার নিষেধ করার পরেও তারা কোন কর্নপাত করছেনা। বিষয়টি সদও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি।
শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মাহবুব রহমান বলেন, মানুষ গরৈ থাকার জন্য ব্যাপক প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছি। মানুষ নিজেরা সচেতন না হলে কি করার আছে।