

নিউজ ডেস্কঃ
গত মে মাসে আটক হওয়া মার্কিন সাংবাদিক ড্যানি ফেনস্টারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ ও সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ এনেছে মিয়ানমার। (বুধবার ১০ নভেম্বর) তার আইনজীবী বলেন, এই অভিযোগের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
গত ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে মিয়ানমারে। তখন থেকেই বিশৃঙ্খলার মধ্যে ডুবে আছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটি। সামরিক বাহিনী গণতন্ত্রপন্থীদের বিক্ষোভ দমন এবং ভিন্নমতাবলম্বী বিরোধীদের নির্মূলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
গত মে মাসে মিয়ানমার ত্যাগ করার চেষ্টাকালে মার্কিন সাংবাদিক ড্যানি ফেনস্টারকে গ্রেফতার করা হয়, তার আইনজীবী থান জাও এএফপিকে বলেন, সন্ত্রাস বিরোধী এবং রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে তাকে অভিযুক্ত করা হয়।
সন্ত্রাস দমন আইনে দোষী সাব্যস্ত হলে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। আগামী ১৬ নভেম্বর মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। ফেনস্টার (৩৭) স্থানীয় আউট-লেট ফ্রন্টিয়ার মিয়ানমারে এক বছর ধরে কাজ করছিলেন। তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য মিয়ানমার ত্যাগ করার চেষ্টাকালে তাকে আটক করা হয়।
তার বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে ভিন্নমতাবলম্বীদের সহায়তার অভিযোগে ইতোমধ্যেই বিচার চলছে। বেআইনি সংগঠনে জড়িত হওয়া এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনেরও অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি বর্তমানে ইয়াঙ্গুনের ইনসেইন কারাগারে আটক রয়েছেন।