সাংস্কৃতিক বিপ্লবে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual2 Ad Code

প্রধান অতিথি আরও বলেন, ‘যে জাতির নিজস্ব সংস্কৃতি থাকে না, কৃষ্টি থাকে না, যে জাতি ইতিহাস–ঐতিহ্য ধারণ করে না, সে জাতি অস্তিত্বহীন হয়ে যায়। এ জন্য আমাদের বাঙালিত্বকে টিকিয়ে রাখতে হবে। বাঙালির অত্যন্ত সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রয়েছে; যদিও তথাকথিত আকাশ সংস্কৃতি আমাদের অনেক জায়গা বিপন্ন করে দিচ্ছে। সে জায়গা আমাদের শিল্পীদের অভিনয়, গানসহ অন্যান্য নৈপুণ্য দিয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের গুণীজনদের সম্মানিত করা, সমৃদ্ধ করা আমাদের দায়িত্ব।’

প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘যিনি বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতির সঙ্গে আকৃষ্ট থাকেন না, তাঁর স্বকীয়তা বিপন্ন হয়। বাংলাদেশি নাটক-চলচ্চিত্র অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে বিশ্ব পরিমণ্ডলে। তবে এ কথাও সত্য, হঠাৎ করে ব্যবসার নামে, দ্রুততার সঙ্গে জনপ্রিয়তার নামে অনাকাঙ্ক্ষিত–শিষ্টাচারবর্জিত কিছু সৃষ্টিও দেখা যায়; যদিও এগুলোর আয়ুষ্কাল স্বল্প সময়ের। বাঙালিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য, বিশেষ করে হিন্দু, মুসলিম,বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐক্যের বাংলাদেশ টিকিয়ে রাখতে গেলে সংস্কৃতি বিকাশের, সংস্কৃতির বিপ্লবের কোনো বিকল্প নেই। যখনই সংস্কৃতি মুখ থুবড়ে পড়ে, তখনই উগ্রতা, জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তাই দৃশ্যমান শক্তি প্রয়োগ না করে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এই উগ্রবাদ-জঙ্গিবাদ প্রতিহত করতে হবে।’

Manual3 Ad Code

Manual1 Ad Code

অনুষ্ঠানে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও কাহিনিকার ছটকু আহমেদ এবং নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদকে। এ ছাড়া সংগীতে অনন্য অবদানের জন্য সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বাবিসাসের সভাপতি আবুল হোসেন মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংসদ সদস্য গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, সাংসদ মমতাজ বেগম, নাগরিক ঢাকার সভাপতি এম নাঈম হোসেন, বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন বাংলার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তাশিক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন অনুষ্ঠান উদ্‌যাপন কমিটির আহ্বায়ক দুলাল খান।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code