সাতকানিয়ায় ধান লুট

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual2 Ad Code
শংকর কান্তি দাশ (সাতকানিয়া. চট্রগ্রাম) :
সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের দখলি জায়গা থেকে উচ্ছেদ করে এবং প্রকাশ্যে দিবালোকে প্রকৃত মালিকের ধান কেটে নিয়ে গিয়ে আবার যারা কাটছে তারাই নিজেরা নিজেরা জোরপূর্বক ধান কাটার কথা স্বীকার করে থানা পুলিশ কি করবে বলে হুমকী দিয়ে ঘুরে বেড়ানোর মত গুরুত্বর অভিযোগ ওঠেছে। গত ২৫শে নভেম্বর উপজেলার ছদাহার ৩নং ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল ছমদের বিধবা স্ত্রী মমতাজ বেগমের পৈতৃক জায়গা জমি দখলে নেয়ার পায়তাঁরা চালাই স্থানীয় প্রভাবশালী নুরুল আলম মুন্সী, আহমদ ছাফা,মো:আলমগীর বাদশা এবং মোহাম্মদ নুরুচ্ছাফা। বাদী বলেন, উপরোক্ত বিবাদীদের পিতা আর চাচা থেকে আমার পিতা ১৯৭৮সালে জায়গা খরিদ করেন,এর পর হতে আমরা ভোগদখলে আছি কিন্তু এর মাঝে বিবাদীরা আমাকে আমার ধানী জমি হতে আমার লাগোয়া ধান গুলি কেটে উচ্ছেদ করার পায়তাঁরা চালালে আমি সাতকানিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি,তারা নিজেরাই পুলিশকে ধান কাটার কথা স্বীকার করেছেন,মোসাদ চেয়ারম্যানকে ও স্বীকার করেছেন,এলাকার শত শত লোক সাক্ষী আমাদের লাগোয়া ধান তারা কেটে নিয়ে গেলো সেটা কিন্তু এখনো কোন মামলা নেয়নি থানা পুলিশ। এদিকে ধানকাটার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে ছদাহার মোসাদ চৌ:বলেন, হ্যা এটা জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলতেছে তবে ধান কেটেছেন নুরুল চলম মুন্সী গং এটা তারা নিজেরাই স্বীকার করেছে। সাতকানিয়া থানায় অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে এএসআই জিহাদ বলেন,মমতাজ বেগম বাদী হয়ে একটি অভিযোগ আছে। তিনি আরো বলেন ধান যারা কাটছে তারা নিজেরাই স্বীকার করছে,আদালত ও চলতেছে জমির উপর তাই আমরা কোন সিদ্বান্ত দিতে পারবনা। তবে ধান কাটার বিষয়ে মামলা হবে। এদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেলো জোর পূর্বক ধানকাটার এই বিষয়ে ছদাহার ইউনিয়ন পরিষদে একটি সালিশী বৈঠক হয় ওখানে অভিযুক্ত নুরুল আেম মুন্সী চেয়ারম্যান মোসাদ চৌধুরী ও এএসআই জিহাদের সামনেই ও শতাধিক মানুষকে সাক্ষী রেখেই বলেন হ্যা তারা রোপন করেছে আমি কেটেছি।
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code