সাড়ে তিন হাজার পরিবারের জন্য বরাদ্দ ১০০ প্যাকেট খাবার

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual2 Ad Code

 

রাশেদুল হাসান কাজল, ফরিদপুর

Manual5 Ad Code

উজান থেকে নেমে আসা পানি ও ভাড়ি বৃষ্টিতে ফরিদপুরে পদ্মার পানি গত ২৪ ঘণ্টায় তিন সেন্টি মিটার বেড়ে বিপদসীমার ৫১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমান লেভেল ০৯.১৬ মিটার।

Manual7 Ad Code

সোমবর  ২৩ আগষ্ট সকালে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলা সুলতান মাহমুদ  এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন ২-৩ দিনের মধ্যে পানি কমতে শুরু করবে।

Manual2 Ad Code

পানি বৃদ্ধির ফলে ফরিদপুর সদর, চরভদ্রাসন, সদরপুর, বোয়লমারী ও মধুখালী উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৫০টি গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চর এলাকায় পশুখাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে।

Manual1 Ad Code

দুর্গতদের দাবি, এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছেনি তাদের কাছে।

এদিকে পানিবন্দি হাজার হাজার মানুষ  বিশুদ্ধ খাবার পানি ও রান্না নিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

এছাড়া পানি বাড়ায় দেখা দিয়েছে নদীর তীব্র ভাঙন। ভাঙনকবলে পড়েছে কাঁচা-পাকা রাস্তাঘাট, ফসলি জমি ও বসতভিটা।

নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোস্তাকুজ্জামান জানান, পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে তার ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় ভাঙন শুরু হয়েছে। শুকুর আলী মৃধার ডাঙ্গী গ্রামের ১৬ একর, আলিমুদ্দিন মাতব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের ৩ একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এদিকে পানিবন্দি মানুষের জন্য দেওয়া সহায়তা প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেকওনা।

চর মাধবদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মির্জা সাইফুল ইসলাম আজম বলেন, যে সাহায্য সরকার থেকে আসছে তা নিয়ে জনগণের কাছে গেলে লজ্জায় পড়তে হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তুলনায় ত্রাণ সহায়তা খুবই কম। আমার ইউনিয়নে পানিবন্দি প্রায় সাড়ে তিন হাজার পরিবার। বিপরীতে বরাদ্দ পেয়েছি ১০০ প্যাকেট খাবার।

ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুম রেজা বলেন, বন্যার ঝুঁকিতে থাকা সদরের তিনটি ইউনিয়নের জন্য এক হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ৪০০ প্যাকেট শিশু খাদ্য ও ২০০ বস্তা (প্রতি গরুর জন্য এক বস্তা) গো-খাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, এরই মধ্যে নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের দুর্গত ৪০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বাকি দুটি ইউনিয়নের ৩৫০ পরিবারের মধ্যে রোববার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ডিক্রিরচরে ২৫০ প্যাকেট ও চর মাধবদিয়া ইউনিয়নে ১০০ প্যাকেট ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্যাকেটের মধ্যে রয়েছে পাঁচ কেজি চাল, এক কেজি ডাল, আধা লিটার তেল, আধা কেজি চিড়া ও আধা কেজি চিনি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code