সিলেটে নৃশংসভাবে দোকানে কর্মচারী খুনের মূল হোতা আব্বাস পুলিশের খাঁচায়

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

Manual4 Ad Code

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া :

সিলেট নগরীর কাজির বাজারে নৃশংসভাবে এক চায়ের দোকানের কর্মচারী কে খুন করেছে স্থানীয় আব্বাস বাহিনী। আব্বাস (৫৫) তার দুই ছেলে ও দুই সহপাঠি কে ডেকে এনে ঘটনার স্থলে খুন করেন একের পর এক আঘাত করে রুমনকে। ঘটনার পর কোতোয়ালি থানা পুলিশের চৌকস টিম কাজ করছে খুনের ঘটনায় জড়িতদের পাকড়াও করতে। এরই মধ্যে ঘটনার মূল হোতা আব্বাস ৫৫কে আটক করতে সক্ষম হয়েছে সিলেট মেট্রোপল্টন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

এদিকে নিহত রুমনের মনের লাশ সংবাদ লিখা পর্যন্ত ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ওসমানী মেডিকেল পুলিশ বক্সার ইনচার্জ এস আই দেবাশীষ দাস।

Manual6 Ad Code

অমানবিক এ ঘটনা ঘটেছে ১৩ জুলাই সকাল ৯ টায় সিলেট নগরীর কাজির বাজার এলাকার মাছ বাজার সংলগ্ন নিরুব বাবুর হোটেলে।

Manual2 Ad Code

হোটেল মালিক নিরুক মিয়া,কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও ওসমানী মেডিকেল পুলিশ বক্স সূত্রে জানা যায়,

১৩ জুলাই ভোর ছয়টা ত্রিশ মিনিটে স্থানীয় আব্বাস মিয়া নামে এক ব্যক্তি নীরোগ বাবুর হোটেলে চা খাইতে যায়। ততক্ষণে চা রান্না হয়নি । কাস্টমার আব্বাস মিয়াকে এ সময় কাস্টমার আব্বাস মিয়ার কে দোকান কর্মচারী রুমন চা দিতে দেরি হবে বললে

শুরু হয় তর্ক বিতর্ক। স্থানীয়রা মীমাংসা করে দিলে আব্বাস চলে যান সেখান থেকে। ঠিক সকাল ৯ টায় তার সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী নিয়ে দোকানের ভেতর ঢুকে দোকান কর্মচারীর রুমনকে প্রকাশ্য দিবালোকে শুরু করে একাধিক ব্যক্তি। একের পর এক স্টেপিংয়ে ঘটনাস্থলে পরে থাকে রুমন।

পরে নীরব বাবু ৃও শাহিন মিয়া নামে এক ব্যক্তি রুমনকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Manual1 Ad Code

চায়ের দোকানের মালিক নিরুপবাবু জানান, রুমন অত্যন্ত ভালো ছেলে । সে দুই বছর থেকে উনার দোকানে চাকরি করে আসছে। তিনি এই সন্ত্রাসের বিচার চান। এ ঘটনার পর থেকে দোকান পরিচালনা নিয়েও আতঙ্কে ভুগছেন তিনি বলে জানান।

রুমন (২৬) দক্ষিণ সুরমার মোগলা বাজার এলাকার জালালপুর বাজার এর মৃত তকলিছ মিয়ার ছেলে।

এ ঘটনা নিহতের রুমনের বড় ভাই আহমদ বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Manual4 Ad Code

কোতোয়ালী থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ জিয়াউল হক জানান, ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে। মাঠে কাজ করছে চৌকস টিম।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি মিডিয়া সাইফুল ইসলাম বিকেলে এ প্রতিবেদককে জানান , দোকান কর্মচারী রুমন খুনের মূল হোতা আব্বাস (৫৫) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সেই ঘটনার মূলহোতা দোকান কর্মচারী রুমন চা দিতে দেরি করায় সে তার দুই ছেলে ওসব পার্টি কে ডেকে এনে রুমান কে খুন করিয়েছে।

আটক আব্বাস তোপখানা আফজাল মিয়ার কলোনির মৃত মনু মিয়ার পুত্র।
এদিকে পরিবারের ছোট ছেলেকে হারিয়ে মোগলাবাজার জালালপুর বাজারে এলাকায় নিয়া তোর মনের পরিবার চলছে শোকের মাতম। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে রুমন ছিল পরিবারের ছোট ছেলে।

ডেস্ক: এস

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code