সুস্থ থাকতে সঠিক সময় করুণ ডিনার

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ১ ঘন্টা আগে

Manual4 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম কতটা ইতিবাচকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে? শুধু ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ হয় না, বরং আপনার হজম, ঘুম, হরমোন এবং ওজন সবই এই অভ্যাসের দ্বারা প্রভাবিত হয়। চলুন জেনে নেই রাতে দেরি করে খাওয়া এড়ালে শরীর কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়।

হজম সহজ ও কম চাপযুক্ত হয়

Manual5 Ad Code

ব্রিটিশ জার্নাল অফ নিউট্রিশনের একটি গবেষণা দেখিয়েছে, গভীর রাতের খাবার পাকস্থলীর খালি হওয়া বিলম্বিত করে এবং অ্যাসিড বৃদ্ধি করে, যার ফলে হজম প্রক্রিয়া ধীর ও অসুবিধাজনক হয়। তিন মাসের অভ্যাসে রাতে খাবার এড়ালে অন্ত্রের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরে আসে, পেট ফাঁপা কমে এবং হজমের সমস্যা কমে যায়।

ঘুমের মান ভালো হয়

রাতের খাবার শরীরকে বিপাকীয়ভাবে সক্রিয় রাখে, যা হার্টবিট ও শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়। জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল স্লিপ মেডিসিনে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, ঘুমানোর অন্তত ২-৩ ঘণ্টা আগে খাবার এড়ানো হলে ঘুম গভীর ও স্বাভাবিক হয়। এই অভ্যাস তিন মাস ধরে চললে ঘুমের চক্র শক্তিশালী হয় এবং সকালে মানুষ আরও সতেজ অনুভব করে।

ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের হরমোন স্বাভাবিক হয়

রাতের দেরি খাবার ঘ্রেলিন ও লেপটিন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা ক্ষুধা ও পরিতৃপ্তি নিয়ন্ত্রণে সমস্যা তৈরি করে। হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের গবেষণায় দেখা গেছে, গভীর রাতে খেলে পরের দিনের ক্ষুধা বৃদ্ধি পায় এবং লেপটিন কমে যায়। ৯০ দিনের অভ্যাসে রাতের খাবার এড়ালে এই হরমোনগুলো পুনরায় ভারসাম্য ফিরে পায় এবং হঠাৎ ক্ষুধা বা অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা কমে যায়।

ওজন ও বিপাকীয় প্রক্রিয়া উন্নতি পায়

Manual4 Ad Code

গভীর রাতে খাওয়া সাধারণত অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ এবং ধীর বিপাকের সঙ্গে যুক্ত। তিন মাস ধরে রাতের খাবার বর্জন করলে রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শরীর জমে থাকা শক্তি আরও দক্ষভাবে ব্যবহার করে। ফলে সক্রিয় ডায়েট ছাড়াই অনেকের ওজন নিয়ন্ত্রণে আসে।

অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম ঠিক থাকে

রাতের খাবার অন্ত্রের প্রাকৃতিক মেরামত চক্র ব্যাহত করে। রাতে পাকস্থলীকে বিশ্রামের সুযোগ দিলে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি পায়, যা হজমে সহায়তা করে, প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত অভ্যাসে মলত্যাগ নিয়মিত হয় এবং পুষ্টি শোষণ উন্নত হয়।

Manual5 Ad Code

অ্যাসিড রিফ্লাক্স কমে

রাতের খাবার শরীরকে শুয়ে পড়ার সময় খাবারনালীর নিচের স্ফিংক্টারের ওপর চাপ দেয়, যার ফলে বুকজ্বালা বা অ্যাসিডের সমস্যা দেখা দেয়। তিন মাস ধরে ঘুমানোর আগে খাবার এড়ালে এই চাপ কমে যায় এবং উপসর্গগুলো কম ঘন ঘন ও কম তীব্র হয়।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code