

বিশেষ প্রতিবেদন: মহামারি করোনাভাইরাসের মধ্যেও রফতানি ঘুরে দাঁড়ানোর ১৩ মাসের মাথায় হঠাৎ পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২২-২৩ অর্থবছরের রফতানি আয়ের যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে সদ্য বিদায়ী সেপ্টেম্বরে পোশাক রফতানি অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ৭.৫২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে তৈরি পোশাক রফতানি ১০.২৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩.৪১ শতাংশ বেশি। ইপিবির তথ্য বলছে, তৈরি পোশাক নিটওয়্যার রফতানি ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, আর ওভেন পোশাক রফতানি হ্রাস পেয়েছে ৫.৬৬ শতাংশ।
করোনার প্রভাবে টানা দুই বছর স্থবিরতা কাটিয়ে উঠার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এর প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে রফতানি আয় কমবে বলে আশঙ্কা করছিলেন রফতানিকারকরা।
এ প্রসঙ্গে তৈরি পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, সেপ্টেম্বর থেকে যে প্রবৃদ্ধিতে মন্দা হবে, সে বিষয়ে বিজিএমইএ ইতোমধ্যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। সেপ্টেম্বরের রফতানি পরিসংখ্যানে তা স্পষ্ট প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি বলেন, কোভিড পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী খুচরা বাজার বিভিন্ন সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে, কনটেইনারের অপ্রতুলতা এবং সাপ্লাই চেইন সংকট, কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি এবং পরবর্তীতে বিশ্ব অর্থনীতিতে পূর্বাভাস অনুযায়ী মন্দার আবির্ভাবের কারণে খুচরা বিক্রয়ে ধ্বস নেমেছে। ক্রেতাদের পোশাকের চাহিদা হ্রাস পাচ্ছে।