

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি:
শেরপুরের নকলায় সরকারের দেয়া হতদরিদ্র মানুষের জন্য ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে। যে বা যারা কার্ডপ্রাপ্ত শুধু তারাই এ ১০ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছেন, তাও আবার মাত্র ৫ কেজি করে। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অবশেষে চাল নাপেয়ে হতাশ হয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরে গেছেন অনেকে। এতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বর্তমান প্রেক্ষাপটে অসহায় পরিবারের লোকজন রাগারাগি ও জটলা বাধাতে শুরু করেন। অবশেষে তাদের নিযন্ত্রণে মোতায়েন করা হয় পুলিশ, পরিস্থিতি পরিদর্শনে ছিলেন ভ্রাম্যমান ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
করোনা ভাইরাসের কারনে দেশের এ ক্রান্তীকালে দরদ্রিদেরকেও ছাড়িয়ে নিন্মমধ্যবিত্ত বা অনেক ক্ষেত্রে মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন অসহায় জীবন যাপন করছেন, যা ১০ টাকা কেজি দরে চাল নিতে আসা লাইনে দাঁড়ানো লোকজন দেখে বুঝা গেছে। এক্ষেত্রে নিন্ম মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন পড়েছেন মহাবিপাকে। তাদের গত বছরের সব সঞ্চয়ের টাকা বোরো আবাদের মাঠে খাটিয়ে দিয়েছেন। এখন তাদের হাত শূণ্য। তারা না পারছেন কারও কাছে সাহায্য চাইতে, আবার তাদেরকে সাহায্য দিতেও ভয় পাচ্ছেন অনেক সংগঠন।
৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার নকলা পৌরসভা মাত্র ২০০ দরিদ্র মানুষের মাঝে ৫ কেজি করে একটন চাল বিক্রি করা হয়। অথচ বর্তমান পরিস্থিতির কারনে নকলা পৌরসভার কয়েক হাজার পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এদের মধ্যে অনেক পরিবার ত্রান ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সহায়তা পেয়েছেন। উপজেলার বেশ কিছু পরিবার বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সৌজন্যে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসেবে পেয়েছেন।
খাদ্য নিয়ন্ত্রক লুৎফর রহমান বলেন, এক দিন পর পর কার্ডধারী হতদরিদ্ররা ৫ কেজি করে এ চাল কিনতে পারবেন। তবে করোনা মোকাবিলায় সরকারি নির্দেশনা পেলে সুবিধাভোগীর সংখ্যা ও চালের পরিমাণ বাড়ানো হবে।