সরকার প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে নিয়েই দেশের উন্নয়নে বিশ্বাসী: সমাজকল্যাণমন্ত্রী - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, রাত ১২:১৬, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

সরকার প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে নিয়েই দেশের উন্নয়নে বিশ্বাসী: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

editorbd
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৪
সরকার প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে নিয়েই দেশের উন্নয়নে বিশ্বাসী: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে সব ধরনের সহযোগিতা স্মার্ট নাগরিকে পরিণত করতে হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেন, ‘সরকার প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে নিয়েই দেশের উন্নয়নে বিশ্বাসী। আমাদের সামনে স্মার্ট বাংলাদেশের যে লক্ষ্য তা বাস্তবায়নের জন্য স্মার্ট নাগরিক দরকার।তাই প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে সব ধরনের সহযোগিতা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে স্মার্ট নাগরিকে পরিণত করতে হবে।’

তিনি বলেন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ক্রীড়াবিদরা স্পেশাল অলিম্পিকে রেকর্ড সংখ্যক পদক জয় করে বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। তারা দেশের জন্য সন্মান বয়ে আনে। এই গেমসের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা বাজেট রাখা হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে স্পেশাল অলিম্পিক ওয়ার্ল্ডস গেমস বার্লিন-২০২৩ বিজয়ীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ডা. দীপু মনি।

মন্ত্রী বলেন, ১৫ বছর আগেও অটিজম কথাটার সঙ্গে কেউ পরিচিত ছিল না। এই অটিজম আক্রান্ত শিশুর পরিবার, অনেকক্ষেত্রে চিকিৎসকরাও পরিচিত ছিল না। এইসব শিশুদের অভিশাপ হিসেবে চিন্তা করা হতো এবং বাবা মায়েরা একটি অভিশপ্ত জীবনযাপন করতেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদের কাজের কারণে এ বিষয়ে সারা দেশের মানুষ সচেতন হয়েছে। এখন দেশের মানুষ জানে অটিজম কী, তাদের চিকিৎসার জন্য কী কী করতে হবে, কোথায় যেতে হবে। তাদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনের জন্য অনেক স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সরকার কিছু করেছে- সশস্ত্র বাহিনী কিছু করেছে। এরকম আরও স্কুল দেশের বিভিন্ন জায়গায় আছে। কিছু আছে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত, কিছু আছে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নয়। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত নন-এমপিওভুক্ত ও রয়েছে।

প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় নিয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশে যখন একটা কিছু শুরু হয়, অনেকটা হুজুগের মতো সবাই করতে থাকে। এখন আবার অটিজম স্কুল নিয়ে সেরকম হয়েছে। একেকজন একটা করে অটিজম স্কুল খুলে ফেলছেন। আমাদের দেখতে হবে, শুধু স্কুল খুলে ফেললাম, সেটা ঠিক নয়, সঠিকভাবে খুলতে পারছে কি না, সেখানে প্রয়োজন আছে কি না, নীতিমালা মেনে করছি কি না।

তিনি বলেন, অটিজমের পুরো স্পেক্ট্রামে কিছু শিশু আছে তাদের স্বাভাবিক স্কুলেই পড়া উচিৎ এবং সেখানেই তারা পড়তে পারবে, সেখানে শিক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, তারা অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে মিশে উপকৃত হবে, অন্য শিশুরাও সহমর্মী হবে। যাদের কোনোভাবেই স্বাভাবিক বিদ্যালয়ে পড়ানো সম্ভব নয়, শুধু সেই সব বাচ্চাদের জন্য আলাদাভাবে স্কুল হবে।

সরকারে এ বিষয়ে মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করবে না। বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের বিদ্যালয়ের মানের বিষয়ে কোনো আপস নেই। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম নতুন পাঠ্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) ঢাকার চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে সমাজকল্যাণসচিব মো. খায়রুল আলম সেখ ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

এর আগে মন্ত্রী বার্লিন স্পেশাল অলিম্পিক ২০২৩ এ পদক বিজয়ীদের সম্মাননা ও সনদ তুলে দেন। সুত্র: ইউএনবিডটকমবিডি

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।