

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদান রাখা এক ব্যাক্তিত্ব হলেন হানিফ সংকেত। জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির উপস্থাপক ও নির্মাতা হানিফ সংকেত পেতে যাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এই খবর প্রকাশ হওয়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হানিফ সংকেতকে ঘিরে অভিনন্দনের জোয়ার দেখা যায়। সংস্কৃতি অঙ্গনের সকলেই সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করছেন।
হানিফ সংকেত দীর্ঘদিন ধরে ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানের মাধ্যেমে সমাজ ও দেশের নানান অসঙ্গতি তুলে ধরছেন। তার নান্দনিক উপস্থাপনা ও অনন্য নির্মাণের কারণে ‘ইত্যাদি’ আজও মানুষের মনে বিনোদনের খোড়াক জোগাচ্ছে।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারীশিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য খালেদা জিয়াকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত অন্য ১৪ ব্যক্তি হলেন মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় দেশের টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষক মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং চ্যানেল আইয়ের পরিচালক আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
এ ছাড়া স্বাধীনতা পুরষ্কারের জন্য মনোনীত পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।