জরুরি অবস্থা জারির ‘ভাল সুযোগ’ দেখছেন ট্রাম্প

প্রকাশিত:শনিবার, ০২ ফেব্রু ২০১৯ ০৫:০২

 

ডেমোক্রেটদের অসহযোগিতার কারণে জরুরি অবস্থা জারির ‘ভাল সুযোগ’ দেখা যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

ট্রাম্প প্রশাসন এ ধরনের পদক্ষেপ নিলে, তা আদালতে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

শুক্রবার হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, তিনি জরুরি অবস্থা জারি করতে পারেন, কেননা কংগ্রেসের ডেমোক্রেট সদস্যরা দেয়ালের জন্য প্রয়োজনীয় অর্ধ বরাদ্দের চুক্তিতে আগ্রহী নয় বলেই মনে হচ্ছে।

“আমরা তাদেরকে নিয়ে কোথাও পৌঁছাতে পারছি না। মনে হয় আমাদের জরুরি অবস্থা জারির ভালোই সম্ভাবনা রয়েছে,” বলেছেন তিনি।

সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে ‘ডেমোক্রেটরা ভয়াবহ বাধা’ দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

দেয়ালের জন্য কোনো বরাদ্দ যাচ্ছে না- বৃহস্পতিবার প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির এ মন্তব্যের পরই ট্রাম্প ‘সর্বশেষ উপায় বেছে নেয়ার পথে’ হাঁটার ইঙ্গিত দিলেন।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে এ রিপাবলিকান প্রার্থী অবৈধ অভিবাসী ঠেকাতে মেক্সিকো সীমান্তে যে কোনো মূল্যে দেয়াল নির্মাণ করা হবে বলে সমর্থকদের আশ্বাস দিয়েছিলেন। মেক্সিকো সরকারের কাছ থেকেই ওই দেয়ালের অর্থ নেওয়া হবে বলে ধারণাও দিয়েছিলেন।

মেক্সিকো এতে অসম্মতি জানালে ট্রাম্প চলতি বছর দেয়াল নির্মাণের কাজ ধরতে কংগ্রেসের কাছে ৫৭০ কোটি ডলার বরাদ্দ চান; তাতে বাধ সাধে ডেমোক্রেটরা।

প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠ এ দলটির সদস্যরা শুরু থেকেই প্রেসিডেন্টের এ কর্মসূচির বিরোধিতা করে আসছেন। ‘জনগণের করের টাকায়’ সীমান্তে কোনো দেয়াল হবে না বলেও বারবারই বলে আসছেন তারা।

ডেমোক্রেটরা দেয়ালের পরিবর্তে নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব দিলেও তাতে সমর্থন মেলেনি ট্রাম্পের। মার্কিন প্রেসিডেন্ট পরে জানান, দেয়ালের বরাদ্দ না পেলে তিনি কোনো বাজেট বিলে স্বাক্ষর করবেন না।

দুপক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে ডিসেম্বরের ২৩ তারিখ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের এক চতুর্থাংশ বিভাগ ও সংস্থার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। টানা ৩৫ দিন বেতনহীন অবস্থায় দিন কাটান ৮ লাখ সরকারি কর্মী।

সংকটের ‘আপাত অবসানে’ ট্রাম্প রাজি হলে তিন সপ্তাহের জন্য ওই বিভাগ ও সংস্থাগুলো চালু হয়।

বাজেট নিয়ে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে দূরত্ব কমাতে চলতি সপ্তাহেই ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের নিয়ে একটি ‘সুপার কমিটি’ গঠন করেছে কংগ্রেস। সমঝোতায় পৌঁছাতে এ কমিটির হাতে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় আছে।

এই সংবাদটি 1,230 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •