ইতালিতে করোনায় প্রাণ গেল আরও ২ বাংলাদেশির

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual6 Ad Code

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ইতালিতে আরও দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ইতালিতে ৬ প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হলো।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানী রোমে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান বাংলাদেশি মো. আনোয়ার হোসেন হিরু (৭২)।

Manual2 Ad Code

 

এছাড়া একইদিন মিলানের একটি হাসপাতালে মো. মিজান (৪৫) নামের আরও এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়।

গত ২৮ মার্চ করোনার লক্ষণ নিয়ে রাজধানী রোমের তরবেরগাতা হাসপাতালে ভর্তি হন হিরু। বৃহস্পতিবার রাত ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

হিরুর গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার থানার হলতা গুলিসাখালী (লক্ষ্যনা) এলাকায়। তার দুই ভাই ও এক বোন ইতালিতে থাকেন।তার একমাত্র মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় খালার কাছে থেকে পড়াশোনা করেন।

হিরুর খালাতো ভাই মো. মিরাজ সরদার জানিয়েছেন, বংশগত অ্যাজমা সমস্যা ছিল তার। ১৮ মার্চ বাথরুমে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।ব্যক্তিগত ডাক্তার দেখানোর পর দুদিন সুস্থ ছিলেন। এরপর আবার অবস্থার অবনতি হয় এবং ২৮ মার্চ রাতে হাসপাতালে নেয়া হয়। বাসারঅন্য সবাই বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুরে মিলান শহরে মারা যান মো. মিজান। তার বাড়ি মানিকগঞ্জে।

Manual6 Ad Code

জানা গেছে, মিজান এক মাস আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বেরগামো হাসপাতালে ভর্তি হন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে মিলান হাসপাতালেস্থানান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে তিনি মারা যান। মিজান স্ত্রী ও দুজন সন্তান নিয়ে বেরগামো শহরে বসবাস করে আসছিলেন। তার ছোট ভাইওতাদের সঙ্গে থাকেন। ওই পরিবারের সকলকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

মিজানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিলান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা জুনায়েদ সুবাহান।

এর আগে বুধবার লোম্বার্দিয়ার বেরগামো শহরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ গেছে নড়িয়ার প্রবাসী মো. সালাউদ্দীনের। ইতালিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর মিলান শহরেই মারা যায় আরও তিন বাংলাদেশি।

প্রসঙ্গত করোনায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে। এ পর্যন্ত দেশটিতে ১৮ হাজার ২৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

এছাড়া একইদিন মিলানের একটি হাসপাতালে মো. মিজান (৪৫) নামের আরও এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়।

গত ২৮ মার্চ করোনার লক্ষণ নিয়ে রাজধানী রোমের তরবেরগাতা হাসপাতালে ভর্তি হন হিরু। বৃহস্পতিবার রাত ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

হিরুর গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার থানার হলতা গুলিসাখালী (লক্ষ্যনা) এলাকায়। তার দুই ভাই ও এক বোন ইতালিতে থাকেন।তার একমাত্র মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় খালার কাছে থেকে পড়াশোনা করেন।

Manual3 Ad Code

হিরুর খালাতো ভাই মো. মিরাজ সরদার জানিয়েছেন, বংশগত অ্যাজমা সমস্যা ছিল তার। ১৮ মার্চ বাথরুমে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।ব্যক্তিগত ডাক্তার দেখানোর পর দুদিন সুস্থ ছিলেন। এরপর আবার অবস্থার অবনতি হয় এবং ২৮ মার্চ রাতে হাসপাতালে নেয়া হয়। বাসারঅন্য সবাই বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুরে মিলান শহরে মারা যান মো. মিজান। তার বাড়ি মানিকগঞ্জে।

জানা গেছে, মিজান এক মাস আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বেরগামো হাসপাতালে ভর্তি হন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে মিলান হাসপাতালেস্থানান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে তিনি মারা যান। মিজান স্ত্রী ও দুজন সন্তান নিয়ে বেরগামো শহরে বসবাস করে আসছিলেন। তার ছোট ভাইওতাদের সঙ্গে থাকেন। ওই পরিবারের সকলকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

মিজানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিলান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা জুনায়েদ সুবাহান।

এর আগে বুধবার লোম্বার্দিয়ার বেরগামো শহরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ গেছে নড়িয়ার প্রবাসী মো. সালাউদ্দীনের। ইতালিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর মিলান শহরেই মারা যায় আরও তিন বাংলাদেশি।

প্রসঙ্গত করোনায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে। এ পর্যন্ত দেশটিতে ১৮ হাজার ২৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code