

বাংলাদেশ কিংস ক্রিকেট ক্লাব সভাপতি আশরাফ হোসেন মামুনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সাধারণ সম্পাদক ময়েজ উদ্দিন পরিচালনায় মাঠে উপস্থিত হয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ কিংস ক্রিকেট ক্লাবের উপদেষ্ঠা, বার্সেলোনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এবং কাসা ই কুইনার সত্ত্বাধিকারী এইচ এম রাসেল হাওলাদার, সিনিয়র সাংবাদিক নুরুল ওয়াহীদ, স্পেন বাংলা প্রেসক্লাব সদস্য মো. ছালাহ উদ্দিন, ফয়সল আহমদ, এ আর লিটু, আজমল আলী, রিয়াদ হাওলাদার প্রমুখ।
পরে রাতে শহরের বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকায় মধুর ক্যান্টিন রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্স-আপ দলকে পুরষ্কৃত করা হয়।
পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বার্সেলোনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও সমাজসেবী রাসেল হাওলাদার ইতোমধ্যে করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্তদের পশে নানাবিধ সামাজিক সচেতনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কাজ করে প্রশংসিত হয়েছে। তিনি এবার তরুণ সমাজকে উজ্জীবিত করতে আয়োজন করেছে দিনব্যাপী সিক্স-এ-সাইড ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।
বিকেল ৭টায় বাংলাদেশ কিংস ক্রিকেট ক্লাব কাতালোনীয়ার সভাপতি আশরাফ হোসেন মামুনের সভাপতিত্বে ও ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ মির রাজনের পরিচালনায় পুরষ্কার বিতরণ ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুর্নামেন্টের স্পন্সর বার্সেলোনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এবং কাসা ই কুইনার সত্ত্বাধিকারী এইচ এম রাসেল হাওলাদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংবাদিক নুরুল ওয়াহীদ,ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতা শফিক খান, ভয়েস অব বার্সেলোনার সাধারণ সম্পাদক এ আর লিটু, সহ সভাপতি আজমল আলী,কাসা কুইনের পরিচালকর রিয়াদ হাওলাদার, সালাউদ্দিন আহমেদসহ অনুষ্ঠানে বার্সেলোনায় বিভিন্ন ক্রিকেট ক্লাবের খেলোয়ারসহ বাংলাদেশী বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি রাসেল হাওলাদার তার বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলায় কেউ হারে, কেউ জয়লাভ করে। মূল কথা হলো খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করা। তিনি বলেন, খেলাধুলাই পারে যুব সমাজকে অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে। খেলাধুলা জীবনকে সুন্দর ও পরিশীলিত করে। খেলোয়াড়দের মধ্যে সৃষ্টি হয় শৃংখলাবোধ, অধ্যবসায়, দায়িত্ববোধ ও কর্তব্যপরায়ণতা। তিনি আয়োজক কমিটিকে এ ধরনের প্রতিযোগিতামূলক খেলা আয়োজন করায় ধন্যবাদ জানান এবং অতীতেরন্যায় আগামীতে ও তাদের পাশে থাকার দৃয় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
চ্যাম্পিয়ন সেভেন ষ্টারের পক্ষে মশিউর রহমান এবং রানার্স-আপ ইয়ং ষ্টারের পক্ষে শাকিল আহমেদ পুরষ্কার গ্রহন করেন।খেলায় ম্যান অব দ্যা ফাইনাল হন বিজয়ী দলের মসিউর রহমান মোহন(৩০ রান, ২ উইকেট)। বিজয়ী দলের শফিকুর রহমান তিন ম্যাচে ব্যাট হাতে ১১৩ রান এবং বল হাতে ৫ উইকেট ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হন।
—