পাতানো ম্যাচ বিতর্ক তদন্ত করবে না আইসিসি

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual4 Ad Code

অভিযোগটা এতটাই গুরুতর ছিল যে সেটা নিয়ে চুপ থাকতে পারেনি শ্রীলঙ্কা সরকারও। রীতিমতো পুলিশী তদন্তের ব্যবস্থাও করা হয়। তবে তদন্তের অংশ হিসেবে কয়েকজন ক্রিকেটার ও কর্মকর্তাকে লম্বা সময় ধরে জেরা করা হয়। কিন্তু কোনো সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। মোদ্দা কথা হলো, ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনাল পাতানোর অভিযোগের নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ পায়নি শ্রীলঙ্কা পুলিশ। তাই এই বিষয়টার এখানেই ইতি দেখছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসিও। তারাও নতুন করে কোনো তদন্ত শুরু করতে চায় না।

Manual3 Ad Code

 

ঐ বিশ্বকাপের সময়ের শ্রীলঙ্কার ক্রীড়ামন্ত্রী মাহিন্দানন্দা আলুথগামাগে গতমাসে অভিযোগ করেছিলেন, ভারতের কাছে বিক্রি করেছে তার দেশ। সেখানে ক্রিকেটারদের কেউ কেউ জড়িত বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি।

কয়েকদিন পর অবশ্য সুর পালটে তিনি বলেন, তার কেবল সন্দেহ হয়। সেই সূত্র ধরে লঙ্কান সরকার তদন্ত করে। লঙ্কান পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন ইউনিট গত সপ্তাহে আলুথগামাগের বক্তব্য রেকর্ড করে। এরপর ঐ সময়ের জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক অরবিন্দ ডি সিলভা ও অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারাকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

 

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ঐ ফাইনালে চারটি পরিবর্তন নিয়ে খেলতে নেমেছিল শ্রীলঙ্কা। আর সে ম্যাচটি ৬ উইকেটে হারে তারা। সেই বিশ্বকাপের ফাইনালের সেঞ্চুরিয়ান মাহেলা জয়াবর্ধনের পুলিশ কার্যালয়ে আসার পরই হঠাত্ একটি বিবৃতি দিয়ে তদন্ত শেষ করার ঘোষণা দেয় বিশেষ তদন্ত ইউনিট।

 

Manual7 Ad Code

পরে আইসিসির এক বিবৃতিতে সংস্থাটির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল জানান, ঐ বিশ্বকাপ ফাইনালের বিশুদ্ধতা নিয়ে তাদের কোনো সন্দেহ নেই। তিনি বলেন,‘এই মুহূর্তে এমন কোনো প্রমাণ আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি, যা অভিযোগটিকে সমর্থন করে বা আইসিসি দুর্নীতি দমন আইনের অধীনে তদন্ত শুরু করার যোগ্য।’

Manual3 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
টপ নিউজ এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
‘বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের গন্তব্য বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে কানাডার এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ও কানাডার আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও শক্তিশালী করাতে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলবার্টা প্রদেশের ক্যালগেরির এমপি জাসরাজ সিং হালান, ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের অধ্যাপক ড. আনিস হক, মাউন্ট রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসেট স্কুল অব বিজনেসের সহকারী অধ্যাপক ড. তাসফিন হোসেন। এ ছাড়া সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা চিকিৎসক আইনজীবী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন এবং সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু। সেমিনারের শুরুতেই বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের চিত্র বিনিয়োগ ইত্যাদির ওপর একটি প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র পরিবেশিত হয়। এর পরই কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান স্বাগত বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এবং বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ সম্পর্কে এবং বিগত ১১ বছরের চলমান বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র সভায় উপস্থিত সবার কাছে তুলে ধরেন। এ ছাড়া সেমিনারে এমপি জাসরাজ সিং হালান তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন। সেমিনারে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যাদি উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) মো. শাকিল মাহমুদ। সেমিনারে অধ্যাপক ড. আনিস হক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডাতে প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ-সুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। ড. তাসফিন হোসেন তার উপস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, সেমিনারে মূলত আলবার্টা প্রদেশ ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করা ছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে যে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে তা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা প্রদেশ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানানো হয়। বর্তমান সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বিনিয়োগকারীদের জন্য যেসব প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে সে বিষয়েও আলোকপাত করা হয়। খনিজসম্পদ, জ্বালানি ও গ্যাস, ভৌত অবকাঠামো, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং যন্ত্রাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ইত্যাদি বিষয়ে আলবার্টা প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয় আলোচনায় অগ্রাধিকার পায়। এ ছাড়া আলোচনায় আগত অতিথিদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের জবাব প্রদানের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
৬ years ago
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code