প্রতিষ্ঠাতা ফাহিমের দাফন সম্পন্ন

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual5 Ad Code

 নিউইয়র্ক ডেস্কঃ : বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাও’র সহ প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহর জানাজা ও দাফন নিউইয়র্কে হয়েছে। গত রোববার নিউইয়র্ক সময় দুপুরে শহর থেকে দূরে পোকেপসি অঞ্চলের রুরাল কবরস্থানে তার জানাজা হয়। ‘মিট হাডসন নুর ইসলামিক সিমেট্রি’তে সমাহিত হন তরুণ উদ্যোক্তা ফাহিম। জানাজা পড়ান ওয়াপিংগার ফলসের আল নূর মসজিদের ইমাম ওসমানী। পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনরা এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন কাছের বন্ধু ও প্রতিবেশিরা। প্রায় শ খানেক লোকের উপস্থিতিতে ফাহিমের জানাজা হয়। এ ছাড়া তার দাফনের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) সদস্যরা।

গত ১৩ জুলাই সোমবার খুন হন ফাহিম। গত মঙ্গলবার তার লাশ উদ্ধার করে এনওয়াইপিডি। হত্যার ঘটনায় ফাহিমের সহকারী টেরেস হাসপিলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Manual5 Ad Code

ম্যানহাটনের অ্যাসিসট্যান্ট ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি লিন্ডা ফোর্ড জানিয়েছেন, ১৩ জুলাই দুপুর প্রায় পৌনে দুটার দিকে লিফট-এ করে ফাহিমের পিছু নেয় মাস্ক পরিহিত হাসপিল। লিফটটি ফাহিমের ফ্ল্যাটে পৌঁছানোর পরপরই তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং তার ঘাড়ে ছুরিকাঘাত করা হয়। এরপর মরদেহ অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে রেখে সেখান থেকে চলে যায় হাসপিল। পরদিন হোম ডিপো থেকে করাত ও অন্যান্য জিনিসপত্র কিনে আবারও ওই অ্যাপার্টমেন্টে যান তিনি। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ৯০ হাজার ডলার চুরির দায়ে চাকুরিচ্যুত ব্যক্তিগত সহকারী টাইরিসি ডেভন হাসপিল তাকে হত্যা করেছে। শুক্রবার ডেভনকে গ্রেফতারের পর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে পুলিশ। তদন্তে জানানো হয়, খুনের পরেও ফাহিমের ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটা করে হত্যাকারী। তবে তার আইনজীবীর বক্তব্য টাইরিস নিদোর্ষ হওয়ার কারণেই পুলিশের আত্মসমর্পণ করেছে।

Manual4 Ad Code

সূত্রকে উদ্ধৃত করে নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফাহিমের মরদেহ টুকরো করা শেষে সেগুলো ব্যাগে ভরে ফেলার পরিকল্পনা ছিল হাসপিলের। তবে তার আগেই ফাহিমের খালাতো বোন এসে কলিংবেল চাপতে থাকলে ভয়ে সিঁড়ি দিয়ে পালিয়ে যান হাসপিল।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code