নাঙ্গলকোট থানায় বিষমুক্ত সবজী চাষ

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual7 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

মো. দুলাল মিয়া, নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) :
গেইট দিয়ে ডুকতেই হাতের ডান-বাম পাশের দু’সারিতে গোলাপ, গাঁদাফুল সহ বিভিন্ন প্রজাতির বাহারি রঙের ফুল। তার একটু বিতরে প্রায় এক একর বিশ শতাংশ জমিতে বিভিন্ন জাতের শাকসবজিতে বরা সবুজের সমাহার। দেখে চোখ জুড়ে যায়। অপরদিকে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল দৃষ্টি কাড়ছে আসা দর্শানার্থীদেরও। এমনি চিত্র দেখা যায় কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানা চত্বরের বিতরে পতিত অনাবাদী জমিতে।
গত ৮ মাস পূর্বেও এটি ছিলো একটি অপরিত্যক্ত মাঠ। যেখানে লতাপাতায় বন জংগলে বরা। বর্তমানে এখানে সবজি চাষ করে চাহিদা মেটাচ্ছেন সেখানকার পুলিশ সদস্যরা। থানার অফিসার ইনচার্জ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে গড়ে তুলেছেন বিশাল এ সবজির বাগান।
জানা যায়, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বসে নেই নাঙ্গলকোট থানার পুলিশ সদস্যরা। অবসর সময়ে ওসি অন্য পুলিশ সদস্যরা সবজি ক্ষেত পরিচর্যা করেন। প্রায় ১ শত ২০ শতাংশ জমিতে ২২ ধরনের শাক-সবজি ও ফুল রয়েছে । বিষমুক্ত এবং সতেজ এসব শাক-সবজি দিয়ে থানার পুলিশ সদস্যরা চাহিদা মেটাচ্ছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দীর্ঘ আট মাস পূর্বে এ পরিত্যক্ত জমি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে এখানে পেয়াজ, মরিচ, ফুলকপি, বাঁধাকপি, গাজর, শালকম, মূলা, লাউ, বেগুন, মিষ্টি কুমড়া, পালংশাক লালশাক ও ধনেপাতার বীজ বপন করা হয়। বৃষ্টি ও আবহাওয়ার কারণে কয়েক বার নষ্ট হয়। হাল না ছেড়ে পুনোরায় আবারও ওই সবজীর বীজ বপন করা হয়। বর্তমানে ওই সব সবজিগুলো ভালো হয়েছে। বলা যায় বাম্পার ফলন। এর পাশে বিভিন্ন ফলদ গাছ লাগান বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী।
এ বিষয়ে ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন- করোনাকালিন সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আইজিপির নির্দেশ কোনো জায়গা পরিত্যক্ত থাকতে পারবে না। সব জায়গায় সবজি চাষ করতে হবে। সেই নির্দেশনায় অনুযায়ী করোনার প্রথম দিকে তিনি পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঝোপঝাড় পরিস্কার করে বিষমুক্ত সবজী চাষ করেন। ওই সবজি পুলিশ সদস্যদের চাহিদা মিটিয়ে গরিব মামুষের মাঝেও বিতরণ করা হয়। এ সবজি বাগানে ২২ প্রকার সবজি সহ ফল ও ফুলের বাগানও রয়েছে।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code