নিউজ ডেস্কঃ  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-সংক্রান্ত অপরাধের দ্রুত বিচারে দেশের সব বিভাগীয় শহরে সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারক নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় বলে জানিয়েছেন সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা ড. রেজাউল করিম।

Manual2 Ad Code

এতদিন শুধু ঢাকায় সাইবার ট্রাইব্যুনাল ছিল। এখন আরও সাতটি বিভাগে ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।

Manual7 Ad Code

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধের মামলা নিষ্পত্তির জন্য ২০১৩ সালে ঢাকায় একটি সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। সাইবার অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় ২০২০ সালের জানুয়ারিতে সাতটি বিভাগীয় শহরে আরও সাতটি সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ১৪ মাস পর এসব ট্রাইব্যুনালে বিচারক নিয়োগ করা হলো।

জারি করা গেজেটে বলা হয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ক্ষমতাবলে সরকার এই আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের দ্রুত ও কার্যকর বিচারের জন্য সাতটি বিভাগীয় শহরে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহে একটি করে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে সেগুলোর অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। সাইবার ট্রাইব্যুনালের আইনে আছে, এই ট্রাইব্যুনালে জেলা জজ পদমর্যাদার একজন বিচারক থাকবেন।

Manual8 Ad Code

সাধারণত ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, গুগল, স্কাইপের ভুয়া আইডি খুলে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও ব্লগে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচার, অশ্নীল ছবি ও ভিডিও আপলোড এবং মেসেজ পাঠিয়ে প্রতারণার অভিযোগে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়ে থাকে। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, সারাবিশ্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার অপরাধ।