

ডেস্ক রিপোর্ট
ছাত্রলীগের ধর্ষণের হুমকিতে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেত্রী নাম রাবেয়া তাহসিন মুন জ্ঞান হারিয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
৩০ মে রাত ১০ টার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত জ্ঞান ফিরেনি বলে জানিয়েছেন তার সহপাঠীরা। হাসপাতালের জরুরী বিভাগে তার চিকিৎসা চলছে।
জানা যায়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সৈয়দুন্নেসা হলে রাইফা রূপা নামে ছাত্রলীগের এক নেত্রীর অবস্থান। রূপা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সহ- শাখার সহকারি সম্পাদক ছিলেন। রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে হলের সবচেয়ে ভিআইপি রুমে বহালতবিয়েতে অবস্থান করে আসছেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রায়ই হলের মধ্যে নেশাগ্রস্ত হয়ে রুমমেটদের সাথে খারাপ আচরণ করেন রূপা। প্রভোস্ট ম্যাডাম হজ্জে যাওয়ার পূর্বে তাহসিন মুন নামে ছাত্রদল কর্মীকে হলের বিভিন্ন সমস্যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে সমাধান করার মৌখিক অনুমতি দিয়ে যান । তারই ধারাবাহিকতায় মুন ছাত্রলীগের ওই নেত্রীকে বলেন রুম ইন্টার চেন্জ করতে এবং পলিটিকাল রুম গুলোতে টপার স্টুডেন্টরা উঠবে। তাতেই ক্ষিপ্ত হন রূপা। রাইফা রুপা ( সহ- সম্পাদক, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ) কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে, বিভিন্ন ফেক আইডি দিয়ে ছাত্রদল কর্মী মুনকে থ্রেট দেয়। মুনের নাম্বার ভাইরাল করে দেয়। মুন বুলিং এবং হুমকির শিকার হয়ে রাত ১০টা থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তিনি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসারত বলে জানান তারা। রূপা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: তাওফিক ই মওলার স্ত্রী বলে জানা যায়। তাদের বিরুদ্ধে নানা ধরণের অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে কিন্ত জুলাই আন্দোলনের পরও তারা ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়েছেন অজানা কারণে।
ছাত্রদল শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক বিএম আলমগীর কবীর বলেন, শিবির এবং ছাত্রলীগ দ্বারা পরিচালিত বিভিন্ন ফেক পেজ ও আইডি দিয়ে বাজেভাবে রাইফা রুপা তাহসিন মুনের নাম্বার ভাইরাল করে দেয়। বিভিন্ন দেশ এবং দেশের ভিতরে বিভিন্ন জায়গা থেকে বাজে ফোন আসে। এতে করে সে গুরুত্বরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনা উচিত বলে প্রশাসনের আহ্ববান জানান । ডেস্ক বিজে