

নিউজ ডেস্কঃ
গত শুক্রবার (১ অক্টোবর) থেকে প্রতিদিন তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে ঢুকে পড়ছে চীনের বিমানবাহিনী৷ এই অবস্থায় সমমনা গণতান্ত্রিক দেশের সহায়তা চাইছে তাইওয়ান৷
তাইওয়ান সফররত ফ্রান্সের চার সেনেটর ও অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী টোনি অ্যাবটকে বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) এই কথা জানান তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইঙ-ওয়েন৷ তাইওয়ান উপত্যকায় বিরাজমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করায় ফ্রান্সের সেনেটরদের ধন্যবাদ জানান ওয়েন৷ ফ্রান্সের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যালা রিশার এই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন৷
অবশ্য ফরাসি সেনেটের ও অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার সময় তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সরাসরি চীনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের উল্লেখ করেননি৷ তবে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী অ্যাবোট তাইওয়ানের গণতন্ত্রের প্রশংসা করে বলেন, ‘‘অবশ্য সবাই তাইওয়ানের উন্নতিতে খুশি নয়, এবং আমি জানি যে, বড় প্রতিবেশী দ্বারা প্রায় প্রতিদিনই তাইওয়ান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে৷”
তাইওয়ানের সঙ্গে অনেক দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও ফ্রান্স কিংবা অস্ট্রেলিয়ার নেই৷ কিন্তু এদিকে তাইওয়ানের সবচেয়ে বড় সমর্থক যুক্তরাষ্ট্র৷
তাইওয়ানের আকাশে চীনের বিমান ঢুকে পড়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন৷ এ বছরের মধ্যেই তারা ভার্চুয়ালি একটি শীর্ষ বৈঠক করবেন৷ তাইওয়ান ঐ বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷
এদিকে চীনের সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, তাইওয়ানের কাছে চীনের পূর্বাঞ্চলের এক ঘাঁটিতে অত্যাধুনিক জে-১৬ডি ফাইটার জেট জড়ো করা হয়েছে৷ স্বশাসনে থাকা তাইওয়ানকে নিজের অঞ্চল বলে দাবি করে চীন৷ তারা মনে করে দরকার হলে বল প্রয়োগ করে তাইওয়ানকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে৷ গতবছর প্রায় প্রতিদিনই তাইওয়ানের এয়ার ডিফেন্স জোনে বিমান পাঠিয়েছিল চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি পিএলএ৷