নিউজ ডেস্কঃ দেড়শত বছরের অধিক পুরোনো সাতটি আইন বাতিলের সুপারিশ করেছে আইন কমিশন। বর্তমানে এসব আইনের কোনো উপযোগিতা বা প্রায়োগিক ক্ষেত্র না থাকায় আইনগুলো বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত সুপারিশ গতকাল মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক ইত্তেফাককে বলেন, এই আইনগুলো এত পুরোনো যে এগুলো কোনো কাজে আসছে না। যেহেতু কোনো কার্যকারিতা নাই তাই বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।
বাতিলের সুপারিশ করা আইনগুলো ২০১৬ সালে প্রকাশিত বাংলাদেশ কোডের প্রথম ভলিউমে স্থান পেয়েছে। সেই ভলিউমে স্থান পাওয়া ২৪টি আইনের মধ্যে সাতটি আইন বাতিলের সুপারিশ করা হলো।
প্রসঙ্গত, আইন কমিশন আইন, ১৯৯৬-এর ৬ (ক)(১) ধারার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনসমূহের পরীক্ষানিরীক্ষান্তে তা সংশোধন ও ক্ষেত্রমতো নতুন আইন প্রণয়নের সুপারিশ করে থাকে। ঐ আইনের ৬(জ) ধারায় অচল ও অপ্রয়োজনীয় আইনসমূহ চিহ্নিত করে কমিশন কর্তৃক তা রহিতকরণের সুপারিশ করার ক্ষমতা রয়েছে কমিশনের। সেই ক্ষমতাবলে আইন বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে আইন কমিশন বাংলাদেশের বিভিন্ন আইনের সংশোধনী, নতুন আইন প্রণয়ন, আইন বাতিলকরণের সুপারিশসহ বিভিন্ন আইনগত অভিমত প্রদান সংক্রান্ত ১৬০টির অধিক প্রতিবেদন সরকারের কাছে পাঠিয়েছে।
যেসব আইন বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে সেগুলো হলো :দ্য পাবলিক সার্ভেন্টস (ইনকোয়ারিস) অ্যাক্ট, ১৮৫০, দ্য টোলস অ্যাক্ট, ১৮৫১, দ্য ক্যানালস অ্যাক্ট, ১৮৬৪, দ্য অ্যাক্টিং জাজেস অ্যাক্ট, ১৮৬৭, দ্য অ্যালুভিয়ন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ১৮৬৮, দ্য সারায়িস অ্যাক্ট, ১৮৬৭, দ্য পেনশনস অ্যাক্ট, ১৮৭১।
