

ডেস্ক রিপোর্ট : হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ)হইতে বর্নিত আছে যে, রসূল (সাঃ) এরশাদ করিয়াছেন, যে ব্যাক্তি কোন অসুস্থ লোককে দেখার জন্য অথবা আপন মুসলমান ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য যায় তখন একজন ফেরেশতা ডাকিয়া বলে তুমি বরকতময়, তোমার চলা বরকতময় অর তুমি জান্নাতে ঠিকানা বানাইয়া লইয়াছ। (তিরমিযি)
অপর এক রেওয়াতে রসূল (সাঃ) এরশাদ করিয়াছেন, এক ব্যাক্তি আপন (মুসলমান ) ভাইয়ের সহিত অন্য বস্তিতে সাক্ষাত করিবার জন্য রওয়ানা হইল,
আল্লাহ তায়ালা ঐ ব্যাক্তির পথে একজন ফেরেশতা বসাইয়া দিলেন । (যখন সে ঐ ফেরেশতার নিকট পৌছিল তখন) ফেরেশতা তাহাকে জিজ্ঞাসা করিল, তোমার কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা?
সেই ব্যাক্তি বলিল, আমি ঐ বস্তিতে বসবাসকারী আমার এক ভাইয়ের সহিত সাক্ষাতের জন্য যাইতেছি। ফেরেশতা বলিল, তাহার কাছে তোমার কোন পাওনা আছে ? যাহা লইবার জন্য যাইতেছ?
সেই ব্যাক্তি বলিল , না, আমার যাওয়ার কারন শুধু এই যে, তাহার সঙ্গে আমার আল্লাহর জন্য মহব্বত রহিয়াছে ।
ফেরেশতা বলিল, আমাকে আল্লাহ তায়ালা তোমার নিকট এই কথা বলিবার জন্য পাঠাইয়াছেন যে, যেরূপ তুমি ঐ ভাইয়ের সহিত শুধু আল্লাহ তায়ালার উদ্দেশ্যে মহব্বত কর, আল্লাহ তায়ালাও তোমাকে মহব্বত করেন।(মুসলিম)
অপর এক হাদিসে রসূল (সাঃ) এরশাদ করিয়াছেন, যে ব্যাক্তি আপন মুসলমান ভাইয়ের প্রয়োজন মিটায় আল্লাহ তায়ালা তাহার প্রয়োজন মিটাইয়া দেন। (আবু দাউদ)
বিভিন্ন হাদিসে এই বিষয়ে তাগিদ দেওয়া হয়েছে যে মুসলমান মুসলমানের প্রতি মহব্বত সৃষ্টি করার ব্যাপারে।
কি কি কাজ করার দ্বারা মহব্বত সৃষ্টি তাও বর্ননা করেছেন , যেমন সালাম, সাক্ষাত,খানা খাওয়ানো, হাদিয়া, বিপদগ্রস্তকে সাহায্য, দোয়া করা, দোষ গোপন রাখা, নিজেকে তুচ্ছ মনে করা, অপরকে বড় মনে করা, গীবত শেকায়েত পরনিন্দা থেকে বিরত থাকা আরো অনেক বিষয় রহিয়াছে ।
লেখক, মোঃআব্দুল বাকী আরজান,
আর এই সমস্ত গুনাবলী নিজের জীবনে বাস্তবায়নের জন্য মেহনত করা অতীব জরুরী।
আল্লাহ তা’আলা আমাদের সবাইকে দাওয়াতের মেহনত করার তাউফিক দান করেন।