

ডেস্ক নিউজ: রমজান মাসের শ্রেষ্ঠত্বের ব্যাপারে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন: তোমাদের নিকট বরকতময় রমজান মাস এসেছে। [নাসায়ি, হাদিস : ২১০৬] রমজানুল মুবারকে অনেক বরকত অবতীর্ণ হয়। ইমামে রাব্বানি মুজাদ্দিদে আলফেসানি রহ. তাঁর মাকতুবাতে বলেন: রমজানুল মোবারকে এই পরিমাণ বরকত অবতীর্ণ হয় যে বাকি পুরো বছরের বরকত রমজানের বরকতের সঙ্গে তুলনাই হয় না। যেমন সমুদ্রের সঙ্গে সামান্য কয়েক ফোঁটা পানির কোনও তুলনা চলে না। এখানে রমজান মাসের শ্রেষ্ঠত্বের কয়েকটি দিক তুলে ধরা হলো:
বস্তুত সৃষ্টিজগতের সবকিছুই আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের মুখাপেক্ষী। একজন সচেতন মুসলিম যেকোন প্রয়োজনে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের শরণাপন্ন হয়। দোআ এক ধরনের জিকির (স্মরণ)। আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা পবিত্র কোরআনে ও তাঁর রাসুলের মাধ্যমে আমাদের শিখিয়েছেন কিভাবে তাঁর কাছে চাইতে হবে। নগদ ইসলামিক অ্যাপে ইসলামিক জীবন-এর প্রতিদিনের দোয়া ফিচারে আছে নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় দোয়াসমূহ। লগইন করেই প্রতিদিনের দোয়া ফিচারটি ব্যবহার করে শিখে নিন এবং আমল করুন প্রয়োজনীয় দোয়া।
হে লোকসকল! তোমাদের ওপর একটি মহান ও বরকতপূর্ণ মাস ছায়া বিস্তার করেছে। [সহিহ ইবনে খুযাইমা, হাদিস : ১৮৮৭; শুআবুল ঈমান, হাদিস : ৩৪৩৬] এই মাসকে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম شَهْرٌ عَظِيمٌ বা ‘মহান মাস’ বলেছেন। একটু চিন্তা করে দেখুন, আল্লাহ তাআলা নিজেও عظيم বা মহান। এরশাদ হচ্ছে :
তিনি (আল্লাহ) তো সুউচ্চ-সুমহান।[সুরা বাকারা, আয়াত : ২৫৫] আল্লাহ তাআলার প্রিয়তম রাসুলের চরিত্রও عظيم বা সুমহান। এরশাদে বারি তাআলা :
(হে নবি!) আপনি সুমহান চরিত্রের অধিকারী। [সুরা কলম, আয়াত : ০৪]
পবিত্র কোরআনুল কারিমও عظيم বা সুমহান। কোরআন নিজেই জানাচ্ছে :
আর আপনাকে আমি বারবার পঠিত সাত আয়াত এবং সুমহান কোরআন উপহার দিয়েছি। [সুরা হিজর, আয়াত : ৮৭]
এই রমজান মাসও عظيم বা সুমহান। সুতরাং এই মাসে ইবাদতের বিনিময়ে যে সাফল্য আসবে তাও হবে عظيم বা সুমহান।