শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীদের ভিসার মেয়াদে পরিবর্তন আনছেন ট্রাম্প

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

Manual1 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

Manual8 Ad Code

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য ভিসার মেয়াদ সীমিত করার প্রস্তাব দিয়েছে। গতকাল বুধবার প্রকাশিত একটি সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী, এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনব্যবস্থাকে আরও কঠোর করার একটি বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ।

প্রস্তাবিত নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এফ ভিসা (আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী), জে ভিসা (সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির অংশগ্রহণকারী) ও আই ভিসার (গণমাধ্যমকর্মী) মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে। বর্তমানে এ ভিসাগুলো একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচির সময়কাল বা যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানের মেয়াদ পর্যন্ত বৈধ থাকে।

Manual7 Ad Code

শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক বিনিময় ভিসার সময়সীমা—এ ভিসাগুলোর মেয়াদ চার বছরের বেশি হবে না। এর মধ্যে ঐচ্ছিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

গণমাধ্যমকর্মীদের ভিসার সময়সীমা—সাংবাদিকদের ভিসা, যা বর্তমানে কয়েক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে, তবে নতুন নিয়মে তা ২৪০ দিন পর্যন্ত সীমিত করা হবে। চীনা নাগরিকদের ক্ষেত্রে এ সময়সীমা হবে ৯০ দিন।

Manual6 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ডের আবেদনে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিতযুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ডের আবেদনে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, ভিসাধারীরা মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বর্ধিত সময়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, এ পরিবর্তন ভিসা হোল্ডারদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময় তাঁদের আরও ভালোভাবে ‘পর্যবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধান’ করার জন্য প্রয়োজন। এ পদক্ষেপ ২০২০ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের শেষের দিকে আনা একটি প্রস্তাবনারই প্রতিচ্ছবি। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ডেমোক্রেটিক প্রশাসন ২০২১ সালে এর বিরোধিতা করে এটি বাতিল করে দেয়।

Manual2 Ad Code

এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা ও বিনিময়বিষয়ক সংগঠনও ২০২০ সালের প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেছিল। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ নতুন নিয়ম শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত প্রশাসনিক ঝামেলা তৈরি করবে। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা খাতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করার ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাবনার বিরোধিতা করে এটিকে ‘নির্দিষ্ট দেশের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

ডেস্ক: এস

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
টপ নিউজধর্ম এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
‘বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের গন্তব্য বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে কানাডার এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ও কানাডার আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও শক্তিশালী করাতে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলবার্টা প্রদেশের ক্যালগেরির এমপি জাসরাজ সিং হালান, ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের অধ্যাপক ড. আনিস হক, মাউন্ট রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসেট স্কুল অব বিজনেসের সহকারী অধ্যাপক ড. তাসফিন হোসেন। এ ছাড়া সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা চিকিৎসক আইনজীবী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন এবং সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু। সেমিনারের শুরুতেই বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের চিত্র বিনিয়োগ ইত্যাদির ওপর একটি প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র পরিবেশিত হয়। এর পরই কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান স্বাগত বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এবং বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ সম্পর্কে এবং বিগত ১১ বছরের চলমান বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র সভায় উপস্থিত সবার কাছে তুলে ধরেন। এ ছাড়া সেমিনারে এমপি জাসরাজ সিং হালান তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন। সেমিনারে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যাদি উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) মো. শাকিল মাহমুদ। সেমিনারে অধ্যাপক ড. আনিস হক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডাতে প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ-সুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। ড. তাসফিন হোসেন তার উপস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, সেমিনারে মূলত আলবার্টা প্রদেশ ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করা ছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে যে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে তা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা প্রদেশ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানানো হয়। বর্তমান সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বিনিয়োগকারীদের জন্য যেসব প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে সে বিষয়েও আলোকপাত করা হয়। খনিজসম্পদ, জ্বালানি ও গ্যাস, ভৌত অবকাঠামো, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং যন্ত্রাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ইত্যাদি বিষয়ে আলবার্টা প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয় আলোচনায় অগ্রাধিকার পায়। এ ছাড়া আলোচনায় আগত অতিথিদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের জবাব প্রদানের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
৬ years ago
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code