চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে

প্রকাশিত:শুক্রবার, ১২ ফেব্রু ২০২১ ০৯:০২

চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে

নিউজ ডেস্কঃ  ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং চীনের মধ্যে গত ৩০ জানুয়ারি বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হয়। তবে বিশ্লেষকরা বলছে এই বাণিজ্য চুক্তির কারণে চীনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি আরো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।

 

জানা গেছেগোটা বিশ্বের মতো ইউরোপেও চীনের একাধিক সংস্থা ব্যবসা করে। ইউরোপে চীনের বাজারও যথেষ্ট। কিন্তু এখনো পর্যন্ত চীনের বাজার উন্মুক্ত নয়। বিদেশি সংস্থাকে সেই অর্থে চীনে বাণিজ্য করতে দেওয়া হয় না।

 

এই নিয়েই প্রায় সাত বছর ধরে চীনের সঙ্গে আলোচনা চলছিল ইইউ-র। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বক্তব্য ছিল, ইউরোপে চীনকে বাণিজ্য চালিয়ে যেতে হলে ইউরোপের বিভিন্ন দেশকেও চীনে ব্যবসার সুযোগ করে দিতে হবে। প্রাথমিক ভাবে চীন এই প্রস্তাবে সহমত ছিল না। তবে শেষ পর্যন্ত বিশেষ কয়েকটি ক্ষেত্রে চীনের বাজার খুলে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন দেশের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। রিয়েল এস্টেট, ম্যানুফ্যাকচারিং এবং ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসে ইউরোপ চীনের কাছে সমান অধিকার চেয়েছে। অর্থাৎ, চীনের সংস্থা যে সুবিধা পায়, ইউরোপের সংস্থাকেও সেই সুযোগ করে দিতে হবে।

 

অন্যদিকে,চীনও এনার্জি সহ একাধিক বিষয়ে ইউরোপের কাছে বিশেষ সুবিধা চেয়েছে। অর্থনীতিবিদদের একাংশের বক্তব্য, শেষ পর্যন্ত এই চুক্তিতে লাভবান হবে চীন। কারণ, ইউরোপে আরো বেশি বাণিজ্যের সুযোগ পাবে তারা। ইউরোপের ক্ষেত্রে চীন বাজার পুরোপুরি খুলবে না। চীনের সংস্থা ছাড়া এখনো ইউরোপের সংস্থা গুলি সরাসরি চীনে ব্যবসা করতে পারবে না। তবে চুক্তির সম্পূর্ণ খসড়া না দেখা পর্যন্ত বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছে না।

 

এ নিয়ে মার্শাল সেন্টারের লেকচারের ভালভোনা জেলেনি বলেন, ইইউতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য, দেশগুলিকে অবশ্যই একটি মূল্যবোধের আদর্শ অনুসরণ করতে হবে যা মানবাধিকার, মানবাধিকার, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সাম্যতা এবং আইনের শাসনকে সমর্থন করে ।

 

জানা গেছে, হংকং এবং উইঘুর ইস্যুতে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতা করছে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্যরাও। ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্য গাই ভারহফস্ট্যাড একটি টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ইইউ এটা মানতে পারবে না। যদি #উইঘুর, # হংকং এবং তিব্বতের প্রতি চীনের আচরণ না ঠিক হয়।

এই সংবাদটি 1,232 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •