তৃতীয়বারের মতো ‘প্রতীকী/ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন’অনুষ্টিত

প্রকাশিত:সোমবার, ০৪ ফেব্রু ২০১৯ ০৩:০২

 তৃতীয়বারের মতো ‘প্রতীকী/ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন’অনুষ্টিত

ডেস্ক রিপোর্ট :: লিডিং ইউনিভার্সিটি মডেল ইউনাইটেড নেশনস অ্যাসোসিয়েশন (এলইউমুনা)” তৃতীয়বারের মতো আয়োজন করছে ‘প্রতীকী/ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন’।”সামাজিক সক্ষমতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আগামী ১৪ ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯ (বৃহস্পতিবার) শুরু হতে যাচ্ছে চার দিনের এসম্মেলন। সম্মেলনটি চলবে আগামী ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০১৯, (রোববার) পর্যন্ত।

এ ব্যাপারে ছায়া জাতিসংঘ সংস্থাটির উপদেষ্টা তাহরিমা চৌধুরী জান্নাত বলেন “আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারি সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা থাকলে ও স্বরস্বতী পূজা এবং ধর্মরিতীর যাতে কোনরূপ ব্যাঘাত না ঘটে এ বিবেচনায় এক সপ্তাহ বিলম্ব করে সম্মেলন শুরু হতে যাচ্ছে।“

এ সম্মেলনে জাতিসংঘের আদলে গঠিত মোট নয়টি কমিটিতে, দেশ-বিদেশের ৪৫ টিরও অধিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৩৫০ জন তরুণ কূটনীতিক প্রতিনিধি অংশনেবে। বিশ্বের চলমান নানা সঙ্কট সমঝোতা ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানবতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তরুণ কূটনীতিকরা এই সম্মেলনে বিশদ আলোচনা ওযুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে একটি সুন্দর সমাধান খুজে বের করবেন। যা যুবসমাজকে তাদের ভবিষ্যত নেতৃত্ব ও কাজের সঠিক দিক নির্দেশনা একটি সুচিন্তাশীলযুবসমাজ/নেতা হিসেবে তৈরিতে সহায়তা করবে।

প্রতিনিধিদের আলোচনা তরান্বিত ও যুক্তিযুক্ত করতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে ৩০ জন বিচারক অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়া, আয়োজনকে সাফল্যমণ্ডিতকরতে নিরলস কাজ করবে ১৩০ সদস্যবিশিষ্ট সেক্রেটারিয়েট।

উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সাল থেকে “লিডিং ইউনিভার্সিটি মডেল ইউনাইটেড নেশনস (এলইউমান)” দেশের ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনে সেরা হসপিটালিটি এবংগুণগতমান বজায় রেখে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়া ও লিডিং ইউনিভার্সিটি ছায়া জাতিসংঘ সংস্থা ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সিলেটে এ অবধি আঞ্চলিক, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মোট ৭টি সম্মেলন সাফল্য এবং সুনামের সাথে সম্পন্ন করেছে।

আমাদের প্রতিনিধিকে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যালারি রুম সহ মোট ১০টি কক্ষে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। চার দিনব্যাপী এ সম্মেলন প্রতিদিন সকাল নয়টাথেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চলবে। অধিবেশনে সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার ও বৈকালিক নাস্তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অধিবেশনের শেষ রাতে জমকালো নৈশভোজেরআয়োজন করা হবে।

তো আর দেরি কিসের?

এই কনকনে শীতের বিদায় ও বসন্তের প্রারম্ভকে স্মরণীয় করে রাখতে সকলের কাছেই এরূপ একটা স্বর্ণালী পরিবেশ কাম্য আর প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্য্য ভরপুর সিলেট হলে তো আর কথাই নেই। আর সেটা যখন সহজলভ্য, তখন যথাসম্ভব আগে নিজের রেজিস্ট্রেশন নিশ্চিত করে জ্ঞান আহরণ ও যোগাযোগ স্থাপনের অনন্যমাধ্যমে নিজেকে সামিল করি

এই সংবাদটি 1,226 বার পড়া হয়েছে

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •