শ্বাসকষ্ট ও সর্দিজ্বর নিয়ে গাংনী হাসপাতালে ভর্তি। বাড়ি লকডাউন

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual2 Ad Code

মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি :
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গাঁড়াডোব গ্রামের এক মহুরার বাড়িতে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ বুধবার ( ১ মার্চ) বেলা সাড়ে ১২ টার সময় মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডাক্তার নাসির উদ্দীন লক ডাউন ঘোষণা করেন। এছাড়া ওই বাড়ির আশেপাশের আরো ১০ টি বাড়িকে প্রশাসনের নজরদারী করে রাখা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আতংকিত বা গুজব না ছাড়ানোর আহবান জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ( ৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৯ টার দিকে শ্বাসকষ্ট ও সর্দিজ্বর নিয়ে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন গাংনী উপজেলার গাঁড়াডোব গ্রামের মধ্যে বয়সী একজন রোগী।

বর্তমানে ওই রোগী প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারিন্টিনে রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন মেহেরপুর সিভিল সার্র্জন ডাক্তার নাসির উদদীন।
তবে, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঐ রোগী ভর্তি হওয়ার পর করোনা আতঙ্কে বেশকয়েকজন রোুগী হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গেছেন।

Manual4 Ad Code

মেহেরপুরের সিভিল সার্জন মো: নাসির উদ্দীন জানান, শ্বাসকষ্ট ও সর্দিজ্বর নিয়ে উপজেলার গাড়াডোব গ্রামের ওই ব্যক্তি গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। ইতো মধ্যে তার রক্ত ঢাকা রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এ পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন,পরীক্ষা নিরিক্ষার পর ঐ ব্যক্তি কোন রোগে আক্রান্ত কিনা জানা যাবে। এর আগে নিশ্চিত করে কিছুই বলা সম্ভব হচ্ছেনা। তবে ঐ বাড়ি সহ পার্শবর্তী ১০ বাড়ি লকডাউন কিংবা প্রশাসনিক নজরদারিতে রাখার আহবান জানানো হয়েছে।
গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান জানান, লকডাউন হওয়া পরিবারের লোকজনকে বাড়ির বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। তাদের ভোগ্যপন্য সহ প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি তাদের সরবরাহ করা হবে। তবে পাশবর্তী বাড়ি গুলোকে প্রশাসনিক নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এ পাঠানো রক্তের প্রতিবেদন দুএকদিনের মধ্যে চলে আসবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Manual4 Ad Code

এদিকে ওই রোগীর ছেলে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে গিয়েছি সেখানে তারা ভর্তি নেননি। সামান্য ব্যবস্থাপত্র দিয়েই বাড়িতে চিকিৎসা নিতে বলেন ডাক্তাররা। তারপর আব্বার অবস্থা আরো অবনতি হয়েছে। এবার গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের নিয়ে আসি আমরা। সন্ধ্যা থেকে তাকে ভর্তি করানোর চেষ্টা করি। ডাক্তাররা শুরু থেকেই তালবাহানা করে। এক পর্যায়ে উচ্চ পর্যায়ের লোক দিয়ে তদবির করে রাত নয়টার দিকে ভর্তি নিলেও কোনো চিকিৎসা দেননি তারা। বিনা চিকিৎসায় ফেলে রাখেন বাবাকে। রাত সাড়ে ১২ টার সময় কোনো রকম দু একটি ওষধ দেন তারা। স্বাসকষ্ট ও সর্দি জ্বর নিয়ে ভর্তি হওয়া গাংনী উপজেলার গাড়াডোব গ্রামের এক রোগীর ছেলে এভাবেই তুলে ধরেন সাংবাদিকদের কাছে।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code