আগামী নির্বাচন এবং সরকারের চ্যালেঞ্জ

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual5 Ad Code

সম্পাদকীয়: দেশীয় ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪ সালের শুরুতে নির্বাচন হতে পারে এমন বাতাস পাওয়া যাচ্ছে। অথচ দু’বছর আগে থেকেই এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। চলছে জোট গঠনের প্রস্তুতি। রাজনৈতিক ভাঙা-গড়াও চলছে প্রকাশ্যে, ভেতরে। আস্তে আস্তে উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনীতির মাঠ। এটাই স্বাভাবিক।

Manual5 Ad Code

ইতোমধ্যে বিরোধী দল বিএনপির পক্ষ থেকে আমেরিকাসহ বিশ্বের শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক দেশগুলোকে নিজেদের পক্ষে নেওয়ার লবিং দৃশ্যমান। একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষসহ আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ওপর বিভিন্ন দেশ চাপ সৃষ্টি করতে দেখা যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকেও বলতে দেখেছি, সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন চান তিনিও। সেই সঙ্গে শক্তিশালী বিরোধী দলও দেখার পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

Manual4 Ad Code

গত সাত মে আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে দল প্রধান যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। সব দলের অংশগ্রহণে শেখ হাসিনার নির্বাচন করার মনোভাব দেখানোর পর বিএনপি অনেকটাই উজ্জীবিত। তারা এখন নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা নিয়ে বেশি কথা বলছে। অর্থাৎ বিএনপি আওয়ামী লীগের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির জায়গা থেকে অনেকটাই সফল। আর বৈশ্বিক বাস্তবতা বিবেচনায় প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো গোটা দুনিয়াজুড়ে গণতান্ত্রিক চর্চার দেশগুলোতে নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থার মিশন নিয়ে নেমেছে এটিও কিন্তু স্পষ্ট। এরই ধারাবাহিকতায় সেসব দেশের বাংলাদেশকে বেছে নেওয়া অমূলক নয়। তাছাড়া এগিয়ে চলার বাংলাদেশ তো এখন গোটা দুনিয়ার মধ্যে আইডল, এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই।

বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি, অর্থনীতি সবকিছুতেই বাংলাদেশ এগিয়ে। ক্ষমতাধর বিশ্বনেতাদের হস্তক্ষেপে বাংলাদেশকে যদি সঠিক পথে পরিচালিত করা সম্ভব হয়, তাহলে তো নিশ্চয়ই খারাপ হবে না? দেশে সঠিকভাবে গণতন্ত্র চর্চা, নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ মানেই চলমান অস্থির বিশ্ব রাজনীতিতে ইতিবাচক বার্তা দেবে।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code