ফুটবলের ফিরে আসুক সুদিন

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual7 Ad Code

সম্পাদকীয়: দক্ষিণ এশিয়ায় মেয়েদের ফুটবলে বাংলাদেশ এখন সেরা। ফিফার পুরুষ বিভাগে বাংলাদেশ ফুটবল দলের অবস্থান যখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, তখন মেয়েদের সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ দলের শিরোপা জয়ে দেশবাসী স্বভাবতই আনন্দিত ও উল্লসিত। আসলেই এ সাফল্য গৌরবদীপ্ত।বলা যায়, দেশের ফুটবল ইতিহাসের সেরা অর্জন এটি। যদিও ২০০৩ সালে পুরুষদের সাফ ফুটবলের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ, তবে এরপরের ইতিহাস শুধুই হতাশার। ফুটবলে পুরুষরা যখন একের পর এক ব্যর্থতার জন্ম দিয়ে দেশবাসীকে হতাশায় নিমজ্জিত করছিল, তখন মেয়েরা উঠে আসছিল আশার আলোকবর্তিকা হাতে। অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৬, অনূর্ধ্ব-১৮ ইত্যাদি বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের মেয়ে ফুটবলাররা ধারাবাহিক সাফল্য দেখিয়ে আসছিল। ২০২১ সালে মেয়েদের সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরেই বাংলাদেশ দল শিরোপা জয় করে নেয়।

Manual5 Ad Code

অবশেষে এলো বহু কাঙ্ক্ষিত শিরোপা। কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে সোমবার রচিত হলো নতুন ইতিহাস। গোটা টুর্নামেন্টে দাপটের সঙ্গে খেলে ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন বাংলাদেশের সোনার মেয়েরা। তারা শুধু শিরোপাই জেতেননি, টুর্নামেন্টে ছিলেন অপরাজিতও। বাংলাদেশের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন হয়েছেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা। তিনি দুটি হ্যাটট্রিক করেছেন।

Manual3 Ad Code

অন্য অনেক দেশের মতো একসময় বাংলাদেশেও ফুটবল ছিল সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। ঢাকার ফুটবল লিগের বড় দলগুলোর খেলা নিয়ে আগ্রহ ও কৌতূহল ছিল সারা দেশের মানুষের। সে সময় স্টেডিয়াম পূর্ণ হয়ে যেত দর্শকদের ভিড়ে। বড় বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হতো ঢাকায়। বিভিন্ন টুর্নামেন্টে সাফল্যও দেখিয়েছেন বাংলাদেশের ফুটবলাররা। ফুটবলের সেই রমরমা যুগ এখন আর নেই। খেলার মান পড়ে যাওয়া, সঠিক পরিকল্পনা ও উদ্যোগের অভাব, ক্রিকেটের সাফল্য ইত্যাদি কারণে দেশে ফুটবলের জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে। এ অবস্থায় নারীদের সাফল্য ফুটবল নিয়ে আমাদের নতুন করে আশান্বিত করে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code