ইতালির প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে আসছেন

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ১২ মাস আগে

Manual5 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে আসছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। আগামী ৩০ আগস্ট তিনি ঢাকায় পৌঁছাবেন। এ সফরের মূল লক্ষ্য হবে ঢাকা-রোম দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এটি শুধু মেলোনির প্রথম বাংলাদেশ সফরই নয়, বরং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ইউরোপের কোনো দেশের সরকারপ্রধানের এটিই হবে প্রথম ঢাকা সফর। ফলে কূটনৈতিক মহলে এ সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

এর আগে, চলতি বছরের মে মাসে ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাতেও পিয়ান্তেদোসি ঢাকা সফর করেন। সে সময়ই প্রধানমন্ত্রী মেলোনির সম্ভাব্য সফর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে উভয় দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে সংলাপ ও প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে এ সফর চূড়ান্ত রূপ পায়।

Manual1 Ad Code

বৈঠকে বৈধ উপায়ে বাংলাদেশ থেকে আরও জনশক্তি নেওয়ার পাশাপাশি নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথাও জানান ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এ সময় নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন, মানবপাচার প্রতিরোধ এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক আগ্রহের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন তারা।

Manual7 Ad Code

এছাড়া ঢাকার সঙ্গে রোমের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নবায়ন ও পুনরুজ্জীবিতকরণ নিয়েও আলোচনা করেন তারা। এ লক্ষ্যে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের আগেই ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বাংলাদেশ সফর করবেন বলে সে সময় জানান মাত্তেও।

অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচার রোধের মতো বিষয়ে বাংলাদেশও ইতালির সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বলে ওই বৈঠকে মাত্তেওকে আশ্বস্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা।

Manual7 Ad Code

ড. ইউনূস বলেন, ‘ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞ। তারাও ইতালির প্রতি সন্তুষ্ট।’

ওই বৈঠকে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ইতালির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার বৈঠকের কথাও উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠকে দুই দেশ একসঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানান তিনি।

সফরকালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও শ্রম অভিবাসন ইস্যু প্রাধান্য পাবে। উল্লেখযোগ্য যে, আগামী তিন বছরে ইতালি পাঁচ লাখ কর্মী নেবে—এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এ সুযোগকে কাজে লাগাতে চায়। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার বিষয়ে ইতালিকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া বাণিজ্যিক খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সফরের সময় কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (MoU) সই হওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বিশেষ করে পোশাকশিল্প, চামড়াশিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ইতালি বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ডেস্ক বিজে

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  • ইতালির প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে আসছেন
  • Manual1 Ad Code
    Manual5 Ad Code