

জেবি আহমেদ, ঢাকা
সংস্কৃতি বিষয়ক মনন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী বলেছেন কিছু কিছু বেদনা থাকা ভাল। যে বেদনা না থাকলে আমরা ভুল পথে চলে যাব। মঞ্চে বসে যখন জুলাইয়ে দুঃখ গাঁথা শুনি বেদনাহত হই সেটা আমাদেরকে সঠিক পথ দেখায়।
তিনি ১১ এপ্রিল শুক্রবার বিকালে ঢাকার মিরপুরের হয়রত শাহ আলী বাগদাদীর মাজার প্রাঙ্গনে গণমানুষের জাগ্রত জুলাই অনুষ্ঠানে প্রথমদিনের আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন।
তিনি বলেন ৫৪ বছর ধরে আমরা ভাগ করেছি কিন্তু আমরা এখন আর তা করছি না। আগে ইসলামের গন্ধ পেলেই বলা হত সেটা আমাদের সংস্কৃতি না। এবারের বর্ষবরণে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
মাজার ভাঙচুর প্রসঙ্গে সরকারের ব্যর্থতা স্বীকার করে তিনি বলেন মাজার যখন ভাঙা হচ্ছিল তখন আমরা কোন ব্যবস্থা নিতে পারি নাই কিন্তু এখন কেউ তা করে পার পাবে না। মাজারে ভাবগান হয়
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ গান, সেটা অনায়াসে করার ব্যবস্থা প্রশাসনিকভাবে করা হবে।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন কবি ও ভাবুক ফরহাদ মজহার
জুলাই কমিউনিটি অ্যালায়েন্স মিরপুরের আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিকে জাগ্রত রাখতে এবং জুলাই-পরবর্তী ক্ষত পূরণের তাগিদে গণমানুষের রুহানি পরিচর্যার লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপি চলবে গণমানুষের জাগ্রত জুলাই।
আয়োজকদের মতে এটি আবেগময় মিলনমেলা, যেখানে জাতির সাহসী সন্তানদের স্মরণ করা, তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো এবং তাঁদের পরিবারের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করা।
অনুষ্ঠানে শহিদ ও আহত পরিবারের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন, যাঁরা দেশের কল্যাণে নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়েছেন।
এই আয়োজনে আছে গরিব-অসহায়দের জন্যে মেডিকেল ক্যাম্প, জুলাইয়ের গ্রাফিতি, আন্দোলনের ছবি ও খবরের কাগজ প্রদর্শনী, কবিতাপাঠ, জুলাই আন্দোলনে আহত, সম্মুখ সারির যোদ্ধা ও শহীদদের স্বজনদের স্মৃতিচারণ, শিশুদের চিত্রাঙ্কন, ভাবগানের আসর এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে বইমেলা।
দ্বিতীয় দিন শনিবারে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার,তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো: মাহফুজ আলম, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম।