ইসলামে প্রবীণদের মর্যাদা ও অধিকার

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual6 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রবীণদের প্রতি সম্মান দেখানো সব সমাজেরই অনুসরণীয় রীতি। আগেকার সমাজে বৃদ্ধরা বেশ সম্মানিত এবং শ্রদ্ধেয় ছিলেন। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বৃদ্ধদের ওপর এ শ্রদ্ধা ও সম্মান অক্ষুণ্ন ছিল।
বিশেষ করে প্রাচ্য সমাজে বৃদ্ধদের প্রতি শ্রদ্ধা সম্মান প্রদর্শনের ঐতিহ্য আজও মোটামুটি লক্ষ করা যায়। তার পরও কিছু কিছু বৃদ্ধের মায়া-মমতায় ঘেরা পরিবারের বাইরে অবস্থান করতে হয় বৃদ্ধাশ্রমে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ইসলাম বৃদ্ধদের অসম্ভব শ্রদ্ধা ও সম্মান দিয়েছে।
হজরত রাসূলে খোদা (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি একজন বয়োবৃদ্ধের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করবে আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিন তাকে কিয়ামতের দিন সব ভয়-ভীতি ও আশঙ্কা থেকে নিরাপদে রাখবেন। বৃদ্ধদের শ্রদ্ধা সম্মান করা আর ছোটদের স্নেহ করা ইসলামি নৈতিকতার অন্যতম বিধান। যারা ইসলামের এ বিধান মেনে চলবে না, তারা অবশ্যই আল্লাহর সামনে অপরাধী হিসাবে উপস্থিত হবে।
বস্তুত ‘জ্ঞানীকে তার জ্ঞানের জন্য আর বৃদ্ধকে তার বয়সের জন্য শ্রদ্ধা ও সম্মান করতে হবে।’ এটাই ইসলামের শিক্ষা। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। আমাদের মনে রাখতে হবে, প্রবীণ ও নবীন মিলেই এ দুনিয়ার সমাজব্যবস্থা। যারা দুনিয়াতে আগে এসেছেন তারা পরবর্তীদের নিকট শ্রদ্ধাভাজন এবং প্রবীণ হিসাবে মর্যাদার অধিকারী। আর নবীনরা প্রবীণদের কাছে স্নেহভাজন এবং তাদের আদর-সোহাগ পাওয়ার অধিকারী।
প্রবীণদের শ্রদ্ধা করা এবং নবীনদের স্নেহ করা হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত। হাদিসে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এ সম্পর্কে বলেন, ‘যারা ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের সম্মান করে না তারা আমার দলের অন্তর্ভুক্ত নয়।’ আসলে মর্যাদাবান ব্যক্তিকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়া উচিত। এটা মহানবীর শিক্ষা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code