কথা রেখেছেন মেয়র আরিফ!

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual2 Ad Code

কোরবানির পশুর হাট ও পশু জবাইয়ের বর্জ্য অপসারণে সিলেট সিটি করপোরেশনের লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। গত বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোরবানির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নগরীকে বর্জ্য মুক্ত করা হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের আগেই কোরবানির পশুর হাট ও কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য উৎপাদিত সবধরণের বর্জ্য অপসারণে সফল হয়েছে সিসিক। এছাড়া সুনামগঞ্জের এক জনপ্রতিনিধির রাতের আধারে ফেলে রাখা সহস্রাধিক চামড়াও অপসারণ করেছে সিসিকের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।

কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষে ঈদের দিন সকাল ৬টা থেকে কয়েক স্থরে ১২’শ পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজ করেছেন নগরজুড়ে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ করতে নগরীকে ৩টি জোনে ভাগ করা হয়েছিল। সুষ্ঠুভাবে বর্জ্য অপসারণ কাজ সম্পন্ন করতে সিসিকের ৯ টি মনিটরিং টিম পর্যবেক্ষণ করেছে গোটা নগরী। বর্জ্য অপসারণের পরপর জীবানুমুক্তকরণে নগরজুড়ে জীবাণুনাশকও স্প্রে করা হয়।

Manual6 Ad Code

সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সরকারের যুগ্ম সচিব বিধায়ক রায় চৌধুরী, সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, সচিব ফাহিমা ইয়াসমিন, নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল আলম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা হানিফুর রহমান সহ সকল বিভাগীয় ও শাখা প্রধানগন বর্জ্য অপসারণ কাজের তরদারকি করেছেন। বিশেষ করে ওয়ার্ড পর্যায়ে কাউন্সিলরগণ তরদারকি কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

কোরবানির বর্জ্য অপসারণের পর নগরীকে দুর্গন্ধমুক্ত রাখার জন্য সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নকর্মীরা রাস্তায়, ড্রেনে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে পানি দিয়ে পরিস্কার করেন।

এদিকে সিসিক যখন বর্জ্য অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতার কাজে সফলতার সাথে মাঠে কাজ করছিলো তখন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থেকে রাতের আধাঁরে কোরবানির পশুর চামড়া এনে নগরীর আবাসিক এলাকায় ডাম্পিং করেন এক জনপ্রতিনিধি। আম্বরখানাস্থ “আবাসন প্রকল্প’র পরিত্যাক্ত খোলা স্থানে ফেলে রাখা হয় শহস্রাধিক কোরবানীর পশুর চামড়া। অপরিকল্পিতভাবে চামড়া ফেলে রাখায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিলো, দূষিত হচ্ছিল পরিবেশ।

সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক শেরীন তার মাীলকানাধিন “আবাসন প্রকল্প’র পরিত্যাক্ত প্লটে কোরবানির পশুর চামড়া ডাম্পিং করেন।

Manual6 Ad Code

এলাকাবাসির অভিযোগের প্রেক্ষিতে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে সিসিকের অভিযানে “আবাসন প্রকল্প’র পরিত্যাক্ত খোলাস্থানের গোপন ডাম্পিং স্থান থেকে চামড়া গুলো পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দক্ষিন সুরমার কেন্দ্রীয় ডাম্পিং গ্রাউন্ডে।

সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যেই কোরবানির বর্জ্য অপসারেণ করতে সক্ষম হয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন। নগরী পরিচ্ছন্ন ও দূষনমুক্ত রাখতে আমরা যখন মাঠে কাজ করছি, তখন একজন জনপ্রতিনিধি (ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক শেরীন) কিভাবে গ্রাম থেকে নগরীতে এনে চামড়া ডাম্পিং করেন তা আমার বোধগম্য নয়।
মেয়র বলেন, আমার তাৎক্ষনিকভাবে পঁচা- র্দূগন্ধ ছড়ানো চামড়াগুলো সরিয়ে নিয়েছি।

Manual8 Ad Code

বর্জ্য অপসারণে নগরবাসীর সহযোগিতা, কাউন্সিলরগণ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিশেষ অবদানের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সিসিক মেয়র।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code