

একা! বড্ড একা! রসকষহীন জীবন!
চারিদিকে নিরব- নিস্তব্ধ, সুনসান।
থমকে গেছে পৃথিবী, থমকে গেছে মানুষ,
চারদিকে ভীতি আর ভীতি, ঘোর অন্ধকার,
দেশে দেশে মানুষের মৃত্যুর মিছিল, স্বজনদের আর্তনাদ,
নেই মানুষের ভীড়, নেই যানজট,নেই কোন কোলাহল,
নেই শান্তির বাতাস, সবকিছুই আজ অস্থির;
থামছে না, কোন মতেই থামছে না করোনার বিষাক্ত ছোবল;
পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে দাপিয়ে
বেড়াচ্ছে দূর্দন্ড প্রতাপে।
নেই প্রতিষধক, নেই কোন ঔষধ,
তথাকথিত মোড়লরাও আজ তার কাছে অবনত,
মানবতার দোহাই দিয়ে মানবতাকে অবলীলায় করেছো পদদলিত,
পৃথিবীটা করেছো মানবের বসবাসের অযোগ্য,
অন্যায় আর অবিচারে বইয়ে দিয়েছো রক্তের গঙ্গা,
কোথায় গেলো সেই দম্ভ আর অহংকার?
কোথায় গেলো মানুষ মারার মরনাস্ত্র-বোমারু বিমান?
দেখেছো, কোনকিছুই কাজে আসলো না তো!
বুঝেছো, ধরাশায়ী হয়েই গেলে ক্ষুদ্র এক জীবাণুর কাছে!
সাক্ষী থাকলো এই মহাকাল!
একদিন হবেই হবে আভিজাত্য আর দম্ভ চুরমার,
ধ্বংসের মাধ্যমেই হবে তার পরিসমাপ্তি।
লেখকঃ কবি ও গীতিকার
উপদেষ্টা সম্পাদক, ত্রৈমাসিক শব্দকথা।