

নিউজ ডেস্কঃ
করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে কঠোর বিধিনিষেধ চলাকালে মানুষজনকে ঘরে রাখতে আজ থেকে রাজধানীর পাড়া-মহল্লায় অভিযান পরিচালনা করবে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
এ সময় তিনি বলেন, কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও যারা বাইরে বের হচ্ছেন তাদের অনেকেই সঠিকভাবে মাস্ক পরিধান করছেন না। সচেতনতার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আমরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি।
খন্দকার আল মঈন বলেন, লকডাউনের নিয়ম না মানায় দেশব্যাপী ৪ শতাধিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চার লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দেশজুড়ে নিয়মিত টহল ও চেকপোস্টের বাইরে চার শতাধিক অতিরিক্ত চেকপোস্ট পরিচালনা করে যারা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন তা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এই র্যাব কর্মকর্তা বলেন, পাড়া-মহল্লায় টহল পরিচালনা করার সময় দেখেছি, অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। বিভিন্ন স্টলে-দোকানে গণজমায়েত দেখা গেছে। তাই সবার প্রতি অনুরোধ পরিবারের কথা বিবেচনা করে হলেও এই ক’দিন করোনার ঝুঁকিপূর্ণ সময়টাতে ঘরে থাকুন। অন্যথায় আমরা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেব। আজ থেকে পাড়া-মহল্লায় স্পেশাল অভিযান পরিচালনা করা হবে। নাগরিকদের অনুরোধ করব পাড়া-মহল্লায় আপনারা জমায়েত হবেন না।
তিত্পানি বলেন ড়া-মহল্লায় টহল পরিচালনা করার সময় দেখেছি, অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। বিভিন্ন স্টলে-দোকানে গণজমায়েতও দেখা গেছে। তাই সবার প্রতি অনুরোধ পরিবারের কথা বিবেচনা করে হলেও এ কটা দিন ঝুঁকিপূর্ণ সময়টাতে ঘরে থাকুন। অন্যথায় আমরা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিবো।
এক প্রশ্নের জবাবে র্যাবের মুখপাত্র বলেন, আমি এখানে আসার আগে ১০টি চেকপোস্ট পর্যালোচনা করেছি, পাড়া-মহল্লায় গিয়েছি। আপনারা যথার্থই বলেছেন, পাড়া-মহল্লায় অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। আজ থেকে পাড়া-মহল্লায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। সম্মানিত নাগরিকদের অনুরোধ করবো পাড়া-মহল্লায় আপনারা জমায়েত হবেন না।
গত দুই দিনের লকডাউনে পরিচালিত অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথমদিন বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সারাদেশে ১৮২ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আর জরিমানা করা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। শুক্রবার (২ জুলাই) সারাদেশে ২২০ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জরিমানা করা হয়েছে আড়াই লক্ষাধিক টাকা। গত দুই দিনের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার চেকপোস্ট বেশি ছিল। যারা নির্দেশনা মানছেন না, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।
কমান্ডার মঈন বলেন, এখন বিশেষ পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে লকডাউন দেওয়া হয়েছে। যারা জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হচ্ছেন, তাদেরকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ করছি। অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ করছি।