চলন্ত অবস্থায় বিমানে যেভাবে নামাজ আদায় করবেন

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual7 Ad Code

ইসলামিক ডেস্কঃ 

যদি নামাজের সময় হয়ে যায় এবং বিমান তখনও উড়তে থাকে, আর যদি এই শঙ্কা থাকে যে, বিমান কোনো এক এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করার আগেই নামাজের সময় শেষ হয়ে যাবে, তাহলে সেখানেই (বিমানেই) নামাজ আদায় করে নিতে হবে।

Manual2 Ad Code

 

Manual6 Ad Code

 

তবে এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, এমন পজিশনে নামাজ আদায় করতে হবে, যেনো যতোটা সম্ভব রুকু-সেজদার কাছাকাছি হওয়া যায়।

নামাজ শুরু করার পূর্বে অবশ্যই কিবলা নির্ধারণ করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে দিক নির্ণায়ক কম্পাসের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। তা না থাকলে, কারো কাছ থেকে জিজ্ঞেস করে জেনে নেওয়া যেতে পারে। আর যদি তাও সম্ভব না হয়, অন্তত মনে মনে ধারণা করে নিয়ে কিবলা নির্ধারণ করতে হবে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, অতএব তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় করো, তার কথা শোনো, তার আনুগত্য করো এবং ব্যয় করো। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। (সুরা তাগাবুন: ১৬)

হাদিসে এসেছে: আবু হুরাইরাহ (রা.) বলেন, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন, আমি তোমাদের যা বারণ করেছি তা হতে বিরত থাকো এবং যা তোমাদের নির্দেশ করেছি তা যথা সম্ভব পালন করো। (মুসলিম: ১৩৩৭)

আর যদি জানা যায়, নামাজের সময় শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই বিমান ল্যান্ড করবে এবং ল্যান্ড করার পরে ওই সময়ের নামাজ আদায় করার জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া যাবে, তাহলে বিমান ল্যান্ড করার পরেই নামাজ আদায় করতে হবে।

Manual5 Ad Code

আর ভ্রমণকারী ব্যক্তি তার গন্তব্যে গিয়ে যদি মুসাফির থাকে, তাহলে সময়টা যদি এমন নামাজের হয় যার সঙ্গে আরেক ওয়াক্ত নামাজ মিলিয়ে পড়া যায়, যেমন- জোহরের নামাজ আসরের সঙ্গে, মাগরিবের নামাজ এশার সঙ্গে; আর যদি জানা থাকে, বিমান দ্বিতীয় ওয়াক্ত নামাজের সময় শেষ হওয়ার আগেই ল্যান্ড করবে এবং ল্যান্ড করার পরে উভয় ওয়াক্তের নামাজ একসঙ্গে আদায় করার সময় পাওয়া যাবে, তাহলে সেক্ষেত্রেও বিমান ল্যান্ড করার পর নামাজ আদায় করতে হবে।

Manual8 Ad Code

কারণ নামাজ সহীহ হওয়ার একটি অন্যতম শর্ত হচ্ছে, নামাজ ভূমির উপর আদায় করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সমগ্র ভূমি আমার জন্য নামাজের স্থান ও পবিত্রতার মাধ্যম বানানো হয়েছে। (বুখারি: ৩৩৫)

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code